শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

মার্শাল আর্ট : বাংলাদেশের ইতিহাসে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম একটি অধ্যায়

কে এম রাজীব, চট্টগ্রাম

ছোটবেলা থেকে মার্শাল আর্টের প্রতি খুব আগ্রহ ছিলো মনে। বুকে আশা আর স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠতে লাগলো জীবন। একটা সময় নিজেকে তৈরি করার লক্ষ্য স্বপ্ন দেখেন মার্শাল আর্ট শিখতে বার্মা (বর্তমানে মিয়ানমার) যাওয়ার। সে স্বপ্নকে বাস্তবে রুপান্তর করতে চলে গেলেন বার্মাতে ( বর্তমানে মিয়ানমার)। খোঁজ নেন মার্শাল আর্ট শেখানোর পাঠশালার। খোঁজ নিতে নিতে পরিচয় হয় মিয়ং অন ও মিয়ং টিন নামের দুই প্রশিক্ষকের সাথে; যারা ছিলেন মার্শাল আর্ট নামে আত্নরক্ষার কৌশলের কৌশলী। শুরু হয় তাঁর স্বপ্ন পূরণের সূচনা। এতক্ষণ বলছিলাম বাংলাদেশে মার্শাল আটের জনক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম এর কথা।

ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম ১৯৫৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান এলাকার হাজী বদরুল আলম ও কক্সবাজার জেলার উখিয়া এলাকার চৌধুরী পরিবারের মেয়ে সুফুরা খাতুন দম্পতির ঘরে জন্ম গ্রহণ করেন।
তিনি উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তিনি বাংলাদেশের একজন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেতা।
ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম বাংলাদেশের মার্শাল আর্টের জনক হিসেবে পরিচিত এবং দেশজুড়ে এই ক্রীড়াটির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পের একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। যিনি অসংখ্য এ্যাকশন চলচ্চিত্রে অভিনয়, পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন এবং বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে ক্লাব ও বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে অ্যাসোসিয়েশন নামের দুটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম। যা অল্প সময়ে বর্ননা করা সম্ভব নয় । নিন্মে তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরা হলো।

মার্শাল আর্ট জীবন :

তাঁর মার্শাল আর্ট জীবনের সূচনা ঘটে কৈশোরে, যখন তিনি তার পিতার সাথে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মিয়ানমার (তৎকালীন বার্মা) ভ্রমণ করেন। তিনি ইয়াংকিং ফাইটার কারাতে ক্লাবে মিয়ং-অন ও মিয়ং-টিন নামক প্রশিক্ষকের অধীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং ফাইটার কারাতে-তে ৮ম ড্যান ব্ল্যাক বেল্ট অর্জন করেন।
তিনি ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন কক্সবাজার সরকারি কলেজে। ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত সেখানেই প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন। এরপর চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালিয়ে যান। ১৯৭৯ সালে তিনি বাংলাদেশ জুডো-কারাতে ফেডারেশন কর্তৃক দেশের প্রথম জাতীয় কারাতে কোচ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন, যা ছিল বাংলাদেশের মার্শাল আর্ট ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে অ্যাসোসিয়েশন যেখানে তিনি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সাল পর্যন্ত সংগঠনটির অধীনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুইশরও বেশি ক্লাব পরিচালিত হচ্ছে, যেগুলো তার শিষ্যদের দ্বারা পরিচালিত। প্রতি বছর জাতীয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের তরুণদের মধ্যে মার্শাল আর্ট ছড়িয়ে দিতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। জনপ্রিয় অভিনেতা ও মার্শাল আর্টিস্ট মাসুম পারভেজ রুবেল সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

চলচ্চিত্রে আগমন :

তিনি প্রথমে চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রবেশ করেন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক হিসেবে, বিভিন্ন তারকাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে। তাঁর প্রশিক্ষণে দক্ষতা অর্জন করেন:- মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা), মাসুম পারভেজ রুবেল, মিশা সওদাগর, রোজিনা, ইলিয়াস কাঞ্চন, সোহেল চৌধুরী, খালেদ মোহাম্মদ, খালেদ মনসুর, ববিতা, জুলিয়া। তাঁর কৌশলী প্রশিক্ষণের কারণে তিনি বহু চলচ্চিত্রে অ্যাকশন ডিরেক্টর হিসেবে কাজের সুযোগ পান। পরবর্তীতে তিনি নিজেই অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে আবির্ভূত হন।

উল্লেখযোগ্য কাজসমূহ :

তিনি বহু চলচ্চিত্রে বিভিন্ন ভূমিকায় কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র সমূহের মধ্যে রয়েছে- মার্শাল হিরো, যেখানে তিনি প্রথম প্রধান অভিনেতা ও প্রযোজক হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন। মাস্টার সামুরাই, যেটি তাঁর ব্লকবাস্টার অ্যাকশন ফিল্ম ছিলো। সেখানে তিনি দোয়েলের বিপরীতে প্রধান চরিত্রে এবং খালেদ মোহাম্মদ ও সুচরিতা অভিনীয় করেন।
মরণ লড়াই, ছবিটিতে তিনি নিজেই পরিচালক, প্রযোজক ও প্রধান অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং সহশিল্পী হিসেবে রোজিনা, সোহেল রানা, সাবিহা, মিজু আহমেদ ও রাজীব অভিনয় করেন। এছাড়া তিনি যেসব চলচ্চিত্রগুলোর অ্যাকশন নির্দেশনা ও অভিনয়ও করেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো- যাদু নগর, শরীফ বদমাশ, লড়াকু বিদ্রোহী, হুম সে জামানা (আন্তর্জাতিক), হিমালয়ের বুকে (আন্তর্জাতিক), জীবন জ্যোতি (আন্তর্জাতিক)।

নির্বাচিত চলচ্চিত্র তালিকা :

কারাতে মাস্টার, বিদ্রোহী মস্তান, সুন্দরী মিস বাংলাদেশ, কুংফু নায়ক, প্রেমিক রংবাজ, ডাইরেক্ট অ্যাকশন, জ্বলন্ত বিস্ফোরণ, হুমকির মুখে, পেশাদার খুনি, ওস্তাদের ওস্তাদ, সাহসী সন্তান, কুংফু কন্যা, নারীরাও প্রতিবাদী, মরণ নিশান, লাল চোখ, বিজলি তুফান ও মৃত্যুর ঘণ্টা

আবার চলচ্চিত্রে ফিরছেন ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম:

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম এখন সিনেমা থেকে পুরোপুরি দূরে আছেন। এক সময় ছিলেন সিনেমা জগতে মার্শাল আর্টের প্রবর্তক। এখন তিনি পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী। এরপরও সিনেমার প্রতি রয়েছে তার গভীর ভালোবাসা। সেই ভালোবাসার টানে তিনি আবার সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে ফিরতে চলেছেন। আবার সিনেমা নির্মাণ করবেন তিনি।

২০০০ সালে পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্রে যখন অশ্লীলতা গ্রাস করে, তখন তিনি ধীরে ধীরে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি থেকে দূরে সরে আসেন। তবে নতুন করে চলচ্চিত্রে ফিরে আসার ইচ্ছা আছে তার।

এই প্রসঙ্গে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম চট্টগ্রাম নিউজকে বলেন, আবার চলচ্চিত্রে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এরই মধ্যে কক্সবাজারে আমার রিসোর্টে একটি প্যানেল বসিয়েছি। আমার নতুন ছবির নাম ‘ডিজিটাল প্রেম’। ছবির গল্পে মার্শাল আর্টকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আমি নিজেই প্রযোজনা, পরিচালনা এবং অভিনয় করব। ডিসেম্বরের মধ্যে আশা করছি বাকি শিল্পীদের চূড়ান্ত করব। শিগগিরই ছবিটির শুটিং শুরু করব। ছবির শুটিং হবে আমার এই রিসোর্টেই।

ব্যবসায়িক উদ্যোগ :

পারিবারিকভাবে কক্সবাজারের বাসিন্দা ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম। চলচ্চিত্রে যুক্ত হওয়ায় জীবনের সোনালি সময়টা কাটাতে হয়েছে ঢাকায়। তবে তখন থেকেই পরিকল্পনা ছিল কক্সবাজারে কিছু একটা করার। সেই ইচ্ছে থেকেই রিসোর্ট ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন তিনি।

প্রায় ৯ বছর আগে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম কক্সবাজার কলাতলীতে গড়ে তুলেছিলেন একটি রিসোর্ট। সেটিকেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় নান্দনিক সাজে সাজিয়ে ‘ওস্তাদ জাহাঙ্গীর রিসোর্ট’ নতুনভাবে শুরু করেছেন। এ রিসোর্টটি নতুন করে গড়ে তোলার পেছনেও আছে চলচ্চিত্রের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা।

ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য অনেকেই তো কক্সবাজার আসেন। জানেনই তো এখানে দুর্দান্ত সব লোকেশন রয়েছে। আমি চাই— সাধারণ মানুষ ছাড়াও কক্সবাজারে চলচ্চিত্রের কাজে যারা আসেন, তারা যেন এখানে উঠেন। শুটিংয়ের জন্যও নির্মাতারা যেন এ রিসোর্ট ব্যবহার করতে পারে, এটাকে সেভাবেই আমি গড়ে তুলেছি। এটাকে আমি কক্সবাজারে এফডিসির দ্বিতীয় শাখা বানাতে চাই।

চলচ্চিত্র ও মার্শাল আর্টের পাশাপাশি তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। তার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক উদ্যোগসমূহ- ওস্তাদ জাহাঙ্গীর রিসোর্ট, হিলভিউ রেস্টুরেন্ট ও কনভেনশন হল ও বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে জিম। এই প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটন, আতিথেয়তা ও ফিটনেস খাতে অবদান রাখছে।

ব্যক্তিগত জীবন :

ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম ২০০১ অভিনেত্রী মাশুকা নাসরিন রাকার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। রাকা ছিলেন একজন অভিনেত্রী, মডেল, উপস্থাপিকা, সাংবাদিক ও আবৃত্তিকার। এই দম্পতির দুটি সন্তান- তাজওয়ার আলম ও রেজওয়ার আলম
। তাঁর পূর্বের বিবাহিত জীবনেও দুটি সন্তান রয়েছে।

ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম বাংলাদেশের মার্শাল আর্ট এর জনক হিসেবে এবং চলচ্চিত্রে মার্শাল আর্টের অসামান্য অবদানের জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছেন।

আন্তর্জাতিক সম্মাননা ও পুরস্কার :

নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র (২০০৫) বাংলাদেশে মার্শাল আর্টের জনক হিসেবে সম্মাননা,
স্টার ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড (২০০৫) নিউ জার্সির বাংলাদেশি আমেরিকান অর্গানাইজেশন দ্বারা প্রদানকৃত, সিটি অফ প্যাটারসন, USA (২০০৫) বিশেষ সম্মাননা, সানরাইজ ইউকে রেডিও অ্যাওয়ার্ড (২০০৫, লন্ডন) মার্শাল আর্ট ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য পুরস্কৃত হন।

জাতীয় পুরস্কারসমূহ :

বাচসাস পুরস্কার, বাবিসাস পুরস্কার, ট্রাব পুরস্কার, ফিল্ম ক্লাব অ্যাওয়ার্ড, সাংস্কৃতিক সাংবাদিক ইউনিটি পুরস্কার ও প্রযোজক সমিতির পুরস্কার সহ অন্যান্য পুরস্কার।

উত্তরাধিকার :

ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম বাংলাদেশের মার্শাল আর্ট সম্প্রদায়ের পথিকৃৎ এবং চলচ্চিত্র ইতিহাসে একজন সম্মানীয় ব্যক্তিত্ব। কয়েক দশকের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি হাজারো শিক্ষার্থীকে অনুপ্রাণিত করেছেন, দেশজুড়ে আত্মরক্ষামূলক ক্রীড়াকে জনপ্রিয় করেছেন এবং সমাজ ও চলচ্চিত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখেছেন ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম।
আমাদের দেশের এই গুণী মার্শাল আর্টের জনক-এর জন্য অকৃত্রিম শুভকামনা।

লেখক: সাংবাদিক ও শিল্পী

চট্টগ্রাম নিউজ/ এসডি/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল চট্টগ্রামনিউজ.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, মতামত, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি । আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন news@chattogramnews.com ঠিকানায়।

সর্বশেষ

চট্টগ্রামে জুয়েলারি দোকানে ১৩ বছর চাকরি করে ৯৯ ভরি স্বর্ণ সরিয়েছেন কর্মচারী

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশে একটি জুয়েলারি দোকান থেকে আত্মসাৎ করা...

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দুজন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন...

শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার নতুন চারজন সদস্য শপথ...

রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল...

শপথ নিতে বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি...

মিরসরাইয়ে বিএসআরএমের চালান থেকে চুরি হওয়া ১২ টন রড উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কোম্পানির চালান থেকে চুরি হওয়া ১২...

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে জুয়েলারি দোকানে ১৩ বছর চাকরি করে ৯৯ ভরি স্বর্ণ সরিয়েছেন কর্মচারী

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশে একটি জুয়েলারি দোকান থেকে আত্মসাৎ করা ৫৫ পিস স্বর্ণের চুড়ি উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশ। উদ্ধার...

মিরসরাইয়ে বিএসআরএমের চালান থেকে চুরি হওয়া ১২ টন রড উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কোম্পানির চালান থেকে চুরি হওয়া ১২ টন ১০০ কেজি লোহার রড উদ্ধার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার...

বসুন্ধরা শুভ সংঘের উদ্যোগে লামায় ২০ নারীকে সেলাই মেশিন ও ফলদ চারা বিতরণ

বান্দরবানের লামায় বসুন্ধরা শুভ সংঘের আয়োজনে এবং বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় ২০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীর মাঝে সেলাই মেশিন ও ফলদ চারা বিতরণ করা হয়েছে।শুক্রবার (২১...

লোহাগাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর করুণ মৃত্যু

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে আরিয়ান আবেদীন (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার (২১ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের...