৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) ফতহে গণভবনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে “জুলাই জাগরণ নব উদ্যমে বিনির্মাণ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এক বর্ণাঢ্য র্যালি আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম জেলা দক্ষিণ শাখা।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ঠাকুরদীঘির ফজল করিম ফিলিং স্টেশন থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে পদুয়া স্টেশন অতিক্রম করে পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
র্যালি চলাকালে ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন পুরো এলাকা। তারা দাবি করেন, “৩৬ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ছিল অন্যায়, জুলুম ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার সাহসী অবস্থানের প্রতীক।”
র্যালি-পরবর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য আসিফুল্লাহ মুহাম্মদ আরমান। সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা সেক্রেটারি ডি.এম. আসহাব উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরমান বলেন, “আজকের দিনটি ছিল বিজয়ের আনন্দ উদ্যাপনের। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও জুলাই গণহত্যার কোনো দৃশ্যমান বিচার হয়নি, যা জাতিকে গভীর উদ্বেগের মধ্যে ফেলেছে।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম দক্ষিণের সাবেক সভাপতি আলী হোসাইন, সাবেক জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং তৈয়ব হোসাইন। তাঁরা “জুলাই সনদ” ঘোষণার প্রয়োজনীয়তা ও এর সাংবিধানিক স্বীকৃতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আর এইচ/
