কর্ণফুলী উপজেলার ১নং (ক) জুলধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মুহাম্মদ নুরুল হকের মৃত্যুতে ওই পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।
কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুমা জান্নাত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে (গত ১৫ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোজাম্মেল হক (চলতি দায়িত্ব)।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী উপজেলার ১নং (ক) জুলধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মুহাম্মদ নুরুল হক গত ১২ জুলাই স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। সেহেতু, ১নং (ক) জুলধা ইউনিয়ন পরিষদের ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় চেয়ারম্যান পদটি শূন্য ঘোষণার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।’
‘নির্বাচিত চেয়ারম্যান মৃত্যুবরণ করায় উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি শূণ্য ঘোষণা করা আবশ্যক। সেহেতু, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৫(২) ধারা মোতাবেক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ইউএনও মাসুমা জান্নাত ১২ জুলাই হতে ১নং (ক) জুলধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য ঘোষণা করলেন।’
কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোজাম্মেল হক বলেন, ‘কবে শূন্য আসনটিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে তা জানি না। তবে উর্ধ্বতন কর্মকতাদের আসনটি শূন্য হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন শিগগরই সিদ্ধান্ত জানাবেন।’
যদিও স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৬১ নং আইন এর সপ্তম অধ্যায়ে বলা আছে, ‘যদি কোন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্যের পদ তাঁহার মৃত্যু, পদত্যাগ, অপসারণ বা অন্যবিধ কারণে তাঁহার মেয়াদ পূর্তির কমপক্ষে ১৮০ (একশত আশি) দিন পূর্বে শূন্য হয়, তাহা হইলে, উক্ত শূন্যতার তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে অবশিষ্ট সময়ের জন্য শূন্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠান করিতে হইবে।’
তবে শর্ত থাকে যে, ‘দৈব দুর্বিপাক জনিত কারণে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হইলে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের জন্য সুবিধাজনক তারিখ নির্ধারণ করিতে পারিবে।’
