সাতকানিয়া অগ্নিকাণ্ডে ৫ টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আরও ১৫টির মত বসতঘর। এতে ১২ লক্ষাধিক টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন।
আজ (৪ আগস্ট)শুক্রবার মাগরিবের নামাজের আগে উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড গুরগুরি পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ মাগরিবের নামাজের আগে উল্লিখিত এলাকার সিরাজুল ইসলামের রান্না ঘরের চুল্লী থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুনের লেলিহান শিখা পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী ঘর গুলোতে ছড়িয়ে পড়লে এতে টিনের চালা ও টিনের বেড়া দেওয়া সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহ আলম, সেলিম উদ্দিন, জামাল উদ্দিন ও কামাল উদ্দিনের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১৫ টির মত বসতঘর। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্ট্রেশন কর্মকর্তা হুমায়ুন কার্ণায়েনের নেতৃত্ব ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।
এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ শাহ আলম ও সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘর থেকে কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি। সবগুলো পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বর্তমান আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমাদের এলাকার নেতা আলম ক্ষতিগ্রস্থ প্রতি পরিবারকে তাৎক্ষণিক ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দিয়েছেন। আর অন্য কোন সরকারি-বেসরকারি সহায়তা এখনও পাইনি।
এ ব্যাপারে কাঞ্চনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্থরা কেউ স্কুলের দপ্তরি, রিক্সার মেকানিক ও শ্রমিক। আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সামান্য সহায়তা দিয়েছি। আগামীতে সমাজের বিত্তবানদেরও তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
কাঞ্চনা ইউনিয়ন (ইউপি) পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল মন্নান অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা হুমায়ুন কার্ণায়েন বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। এতে ৫টির মত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আরও বেশ কয়েকটি ঘর ক্ষতি হয়েছে।
