জামালখানে দেওয়ালে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবির ভাংচুরের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিএনপি জামাতের নৈরাজ্য ও নাশকতা বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ।
বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, বিএনপি-জামাতকে আর ছাড় নয়।
তাদের নৈরাজ্যের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত নিজ নিজ প্রতিটি এলাকায় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকতে হবে।
দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।
বুধবার (১৪ জুন) বিকেলে জামালখানে দেওয়ালে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীর ছবির ভাংচুরের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিএনপি জামাতের নৈরাজ্য ও নাশকতা বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, কোন বিদেশী প্রভুর প্রেসকিপশনে নয়, ক্ষমতায় কে আসবে বা কে যাবে তা এদেশের জনগণ তাদের ভোটধিকারের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দেবে। ক্ষমতাধর বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর মনে রাখা উচিত বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র।
দেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে কোন বিদেশী শক্তির নাক গলানোর সুযোগ নেই। ক্ষমতাধর একটি দেশ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি দেখে হতবাক। এটা তাদের সহ্য হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় থাকুক ঐ দেশটি চায় না।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরী, উপ-দপ্তর সম্পাদক কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মিথুন বড়ুয়া, ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, আব্দুস সালাম মাসুম, নুর মোস্তফা টিনু, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু, সাখাওয়াত হোসেন সাকু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক যুবলীগ নেতা জাবেদুল আলম সুমন, নঈম উদ্দীন, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু, জাকারিয়া দস্তগীর, মিঠুন মল্লিক, ওয়াহেদ রাসেল, শৈবাল দাশ, চট্টগ্রাম কলেজের মাহমুদুল করিম, কোতোয়ালী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আদিত্য নন্দী, মাকসুদুর রহমান মাসুদ প্রমুখ।
