কর্ণফুলী নদীতে দুটি মাছ ধরার নৌকায় ডাকাতির চেষ্টার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে দুটি মাছ ধরার নৌকা ও ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হলেও রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) নৌপুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—হরি চন্দ্র দাস (৪০), মো. আসিফ উদ্দিন (২২), মো. ফাহাদ আহাম্মদ (২০), তাপস ধর (২৫), পরিমল সাহা (৪৮), মো. নবী (২৮), মো. রাজীব (২৫) ও মো. হৃদয় (২০)। তাঁদের বাড়ি চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলায়।
নৌপুলিশ জানায়, শনিবার রাতে নগরের কোতোয়ালি থানার পুরোনো ফিশারিঘাটের এক নম্বর লোহার ব্রিজের বেড়িবাঁধসংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে পাশাপাশি নোঙর করা দুটি মাছ ধরার নৌকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় অভিযান চালানো হয়। তখন সাতজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় ১০ থেকে ১২ জন পালিয়ে যায়। পরে সদরঘাটের একটি হোটেল থেকে হরি চন্দ্র দাসকেও আটক করা হয়।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ আরিফুল আলম বাদী হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
নৌপুলিশের সহকারী কমিশনার সাঈদ ইবনে রেজা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন—গ্রেপ্তারকৃত হরি চন্দ্র দাস নৌযানের মালিক। তাঁর নেতৃত্বে নদী ও সাগরে ডাকাতির প্রস্তুতি চলছিল। তল্লাশিতে দুটি রামদা, একটি লোহার তলোয়ার, বল্লম, লোহার রড ও শাবল উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আসামিরা মাছ ধরার ছলে নদী ও সাগরে যান। পরে বিভিন্ন নৌযান আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মাছ, মাছ ধরার জাল, মুঠোফোন ও নগদ টাকা লুট করেন। ইতিপূর্বে সন্দ্বীপ, হাতিয়া ও কুমিরা উপকূলেও ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছেন তাঁরা।
আর এইচ/
