চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ার বির্জা খাল পরিস্কারের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চসিকের অনুমতি নিয়ে খালটি পরিস্কারের কাজ শুরু করেছিল চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী। তবে পরিদর্শনে গিয়ে মেয়র দেখতে পান, খালের বিভিন্ন স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা রয়ে গেছে। এ অবস্থায় মেয়র চসিকের বিশেষ টিমকে আবারও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার (২ জুন) দুপুরে নগরীর বাকলিয়ায় বির্জা খাল পরিদর্শনে যান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শাহাদাত। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ এবং একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী।
খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মেয়র বলেন, “চট্টগ্রামে ৫৭টি খালের মধ্যে বির্জা একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল। জামায়াতে ইসলাম আমাদের কাছে এটি পরিস্কারের অনুমতি চেয়েছিল, আমরা তা দিয়েছিলাম। তারা জানিয়েছে, খাল পুরোপুরি পরিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু আজ এসে দেখি, প্রচুর ময়লা পড়ে আছে। এখন আমাদের আবারও এই খাল পরিষ্কার করতে হবে। সিটি করপোরেশনের স্পেশাল টিম আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকে পুনরায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করবে।”
খাল পরিস্কারে খরচ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, “সিটি করপোরেশনের বাজেট অনুযায়ী এই খাল পরিষ্কারে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। কিন্তু জামায়াত জানিয়েছে, তারা এক কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ করেছে। আমি বলব, ৫০ লাখ টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়।”
পরিদর্শনের সময় মেয়র নগরীর মিয়াখান নগর, দামপাড়া, ওয়াসা মোড়, জিসি মোড়, কাপাসগোলা ও আগ্রাবাদ এলাকা ঘুরে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিও সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, “টানা বৃষ্টির পরও নগরজুড়ে বড় ধরনের জলাবদ্ধতা না হওয়া একটি বড় সাফল্য। এই সফলতার পেছনে চসিকসহ সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বিত ভূমিকা রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে কাজ চালিয়ে গেলে নগরবাসী ভবিষ্যতেও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত থাকবে।”
আর এইচ/
