মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৫৪ হাজার হেক্টর বন, জনবল মাত্র ১৪ আলীকদমে ১৫ মাসে ৬৫ মামলা

মেহেদী হাসান রানা, আলীকদম, বান্দরবান

একদিকে ৫১ হাজার ৮১৭ হেক্টর সংরক্ষিত বনাঞ্চল। অন্যদিকে সীমান্তঘেঁষা দুর্গম পাহাড়, দুর্গম পথ আর সড়ক যোগাযোগহীন বিস্তীর্ণ এলাকা। এই বিশাল বন রক্ষার দায়িত্বে মাঠে রয়েছেন মাত্র সাতজন। শুধু মাতামুহুরী রেঞ্জেই নয়, আলীকদমের অপর বন রেঞ্জ তৈনও একই চিত্র। সেখানে প্রায় ২ হাজার ৩০৭ হেক্টর বনাঞ্চল দেখভালের দায়িত্বেও রয়েছেন মাত্র সাতজন। এর মধ্যে প্রতিটি রেঞ্জেই ৮ থেকে ১০টি করে পদ শূন্য।

এমন জনবল কাঠামোয় আলীকদমের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলে নিয়মিত টহল, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, অবৈধ গাছ কাটা বন্ধ, বনভূমি দখল প্রতিরোধ, বনজ সম্পদ পাচার ঠেকানো এবং শিকারিদের তৎপরতা নজরদারি কতটা সম্ভব—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মাতামুহুরী রেঞ্জের আওতায় রয়েছে প্রায় ৫১ হাজার ৮১৭ হেক্টর সংরক্ষিত বনাঞ্চল। এই বিশাল এলাকার দায়িত্বে রয়েছেন মাত্র সাতজন। তাঁদের মধ্যে রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল মালেক ও বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাশ কর্মকর্তা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন। বাকি পাঁচজন মাঠপর্যায়ের বনকর্মী।

এই সাতজনকেই সামলাতে হচ্ছে অফিসের প্রশাসনিক কাজ থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের টহল ও নজরদারি। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কোথাও যেতে হয় দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে। কোথাও নেই সরাসরি সড়ক যোগাযোগ। ফলে একটি এলাকায় টহল দিতে গিয়ে অন্য এলাকার নজরদারি সীমিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

প্রশ্ন হলো, ৫১ হাজার ৮১৭ হেক্টর বনাঞ্চলের প্রতিটি অংশে কি নিয়মিত বন বিভাগের উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব? রাতে বা দুর্গম এলাকায় টহলের জন্য পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে কি? একটি দল কোনো এলাকায় দায়িত্ব পালন করলে একই সময়ে অন্য এলাকায় কে নজরদারি করছে?

বন সংরক্ষণের দায়িত্ব শুধু গাছ কাটা বন্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বন্যপ্রাণী শিকার ঠেকানো, বনভূমি দখল শনাক্ত করা, অবৈধভাবে বনজ সম্পদ সংগ্রহ ও পাচার বন্ধ করা, বন অপরাধের তথ্য সংগ্রহ এবং নিয়মিত টহল পরিচালনা করতে হয়। এর পাশাপাশি রয়েছে মামলা, নথিপত্র ও প্রশাসনিক কাজ। অথচ এই বিশাল দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবলই নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মাতামুহুরী রেঞ্জে ৮ থেকে ১০টি পদ শূন্য রয়েছে। আলীকদমের অপর বন রেঞ্জ তৈনেও একই সংকট। প্রায় ২ হাজার ৩০৭ হেক্টর বনাঞ্চল দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন মাত্র সাতজন। এই রেঞ্জেও ৮ থেকে ১০টি পদ শূন্য রয়েছে।

তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানেও জনবল দ্বিগুণ থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে মাত্র সাতজন আছি। এর মধ্যে পানবাজার বিটে দুজন কর্মরত। তাঁদের একজন বয়সজনিত কারণে অসুস্থ থাকায় একজনকে দিয়েই পানবাজার বিট পরিচালনা করতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জনবল বাড়ানো গেলে বনাঞ্চলে আরও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হবে।
দুই রেঞ্জের তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আলীকদমের প্রায় ৫৪ হাজার ১২৪ হেক্টর বনাঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন মোট ১৪ জন। এর বিপরীতে দুই রেঞ্জে ৮ থেকে ১০টি করে মোট প্রায় ১৬ থেকে ২০টি পদ শূন্য রয়েছে। অর্থাৎ কর্মরত জনবলের চেয়েও শূন্য পদের সংখ্যা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই সংকটের প্রভাব মাঠপর্যায়ের বন সংরক্ষণেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ বন অপরাধ ঠেকাতে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর অভিযান চালানোর চেয়ে আগে থেকেই নিয়মিত নজরদারি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল ছাড়া দুর্গম পাহাড়ি বনাঞ্চলের প্রতিটি এলাকায় সেই নজরদারি কতটা সম্ভব, সেটিই বড় প্রশ্ন।

বন অপরাধের চাপের চিত্রও কম নয়। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের চলতি সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মাতামুহুরী রেঞ্জে ২৭টি এবং তৈন রেঞ্জে ৩৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। দুই রেঞ্জে মিলিয়ে এ সময়ে মোট ৬৫টি মামলা হয়েছে। সীমিত জনবল দিয়ে এসব মামলার কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বিশাল বনাঞ্চলে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালিয়ে যেতে হচ্ছে মাঠপর্যায়ের বনকর্মীদের।

সম্প্রতি মাতামুহুরী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে হরিণ শিকার করে মাংস নিয়ে যাওয়ার সময় নুরুল হাকিম নামের এক যুবককে আটক করা হয়। হরিণের মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বহনের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি আবারও সামনে এনেছে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী শিকারের ঝুঁকির বিষয়টি।

তাহলে প্রশ্ন হলো, বনাঞ্চলের ভেতরে শিকারিরা কীভাবে প্রবেশ করছে? নিয়মিত টহল থাকলে বন্যপ্রাণী শিকার ঠেকানো কতটা সম্ভব? কতটি বন অপরাধ শনাক্ত হচ্ছে, কতটি মামলা হচ্ছে, কতটি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এসবের পাশাপাশি জনবল সংকটের কারণে কোনো এলাকায় নিয়মিত টহল ব্যাহত হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল মালেক বলেন, জনবল সীমিত হলেও আমরা আমাদের সক্ষমতা অনুযায়ী বনাঞ্চলে টহল ও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সব জায়গায় নিয়মিত পৌঁছানো কঠিন। জনবল বাড়ানো গেলে বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় আরও কার্যকরভাবে কাজ করা সম্ভব হবে।

রেঞ্জ কর্মকর্তার বক্তব্যেই জনবল সংকটের বাস্তব চিত্র স্পষ্ট। সীমিত জনবল দিয়ে কার্যক্রম চালানো হলেও দুর্গম বনাঞ্চলের সব জায়গায় নিয়মিত পৌঁছানো কঠিন এ কথা স্বীকার করছেন তিনিই।

এখন প্রশ্ন উঠছে, প্রতিটি রেঞ্জে ৮ থেকে ১০টি করে পদ শূন্য থাকার পরও এসব পদ পূরণে কার্যকর উদ্যোগ কেন নেই। শূন্য পদগুলো কতদিন ধরে খালি? এসব পদ পূরণের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে কি না? পাঠানো হয়ে থাকলে তার অগ্রগতি কতটুকু? আর দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটের মধ্যেই এত বিশাল বনাঞ্চল পরিচালনার যৌক্তিকতা কী?

শুধু মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর এর দায় চাপানোর সুযোগ নেই। কারণ প্রয়োজনীয় জনবল অনুমোদন, পদায়ন ও শূন্য পদ পূরণের বিষয়টি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িত। ফলে মাঠপর্যায়ে জনবল ঘাটতি রেখে বন সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হলে এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।

এ বিষয়ে লামা বন বিভাগের ডিএফও মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি বিভাগীয় পর্যায়ে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবলের চাহিদাও পাঠানো হয়েছে এবং এ নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে আমার অধীনে থাকা দুই রেঞ্জে বর্তমানে যে জনবল রয়েছে, তা দিয়ে কোনো রকমে কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া যাচ্ছে।

ডিএফওর বক্তব্যে একদিকে দুই রেঞ্জের জনবল সংকটের বিষয়টি উঠে এসেছে, অন্যদিকে সীমিত জনবল দিয়েই বন বিভাগের কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার বাস্তবতাও স্পষ্ট হয়েছে। তবে প্রতিটি রেঞ্জে ৮ থেকে ১০টি করে পদ শূন্য থাকা অবস্থায় দীর্ঘমেয়াদে এভাবে কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া কতটা কার্যকর হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

আলীকদমের দুই বন রেঞ্জের বাস্তবতা তাই স্পষ্ট একদিকে প্রায় ৫৪ হাজার ১২৪ হেক্টর বনাঞ্চল, অন্যদিকে দুই রেঞ্জে কর্মরত মাত্র ১৪ জন। তার ওপর প্রতিটি রেঞ্জে ৮ থেকে ১০টি করে পদ শূন্য। দুর্গম পাহাড়, সীমান্তবর্তী অবস্থান এবং বন্যপ্রাণী শিকারের ঝুঁকির মধ্যে এই জনবল দিয়ে বনাঞ্চলের প্রতিটি অংশে কার্যকর নজরদারি কতটা সম্ভব, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

বন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর অপরাধী আটক করা সাফল্য হতে পারে কিন্তু বন রক্ষার প্রকৃত সাফল্য হলো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তা ঠেকানো। আর সেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে মাঠে পর্যাপ্ত জনবল থাকতে হবে।

৫৪ হাজার হেক্টরের বেশি বনাঞ্চল কাগজে সংরক্ষিত রেখে মাঠে প্রয়োজনীয় জনবল না দিলে বন রক্ষার দায়িত্ব কার্যত কতটা পালন করা সম্ভব সেই প্রশ্নের জবাব এখন কে দিবে । বছরের পর বছর শূন্য থাকা পদগুলো কেন পূরণ হচ্ছে না, প্রয়োজনের তুলনায় জনবল কাঠামো কতটা বাস্তবসম্মত এবং জনবল সংকট দূর করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর পরিকল্পনা কী এসব প্রশ্নের দৃশ্যমান উত্তর প্রয়োজন।

কারণ বন হারিয়ে গেলে শুধু গাছ নয়, হারাবে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল, পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রাকৃতিক সম্পদ। সেই বন রক্ষার দায়িত্বে যদি মাঠেই পর্যাপ্ত মানুষ না থাকে, তাহলে প্রশ্ন শুধু বন অপরাধীদের নিয়েই থাকবে না প্রশ্ন উঠবে বন রক্ষার প্রশাসনিক সক্ষমতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিয়েও।

চট্টগ্রাম নিউজ / এসডি/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল চট্টগ্রামনিউজ.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, মতামত, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি । আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন news@chattogramnews.com ঠিকানায়।

সর্বশেষ

কলেজে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, ৯ দিন পর লাশ হয়ে ফিরলেন ইমতিয়াজ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায়...

সাড়ে ৫ কোটি টাকার রপ্তানি চালানের কনটেইনার ‘পণ্যশূন্য’

কনটেইনারে কোনো পণ্য নেই, অথচ কাগজপত্র ও কাস্টমসের অনলাইন...

হাটহাজারীতে ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারীতে সাদিয়া আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর...

কক্সবাজারে পুলিশের এসআইয়ের বাড়ি থেকে ৩৬ লাখ টাকাসহ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩

কক্সবাজার কোর্ট পুলিশে কর্মরত এসআই শহীদুল্লাহ ওরফে শহীদের মালিকানাধীন...

পার্কভিউ হাসপাতালে ‘এসএসসি-টুয়েন্টি টুয়েন্টি সিক্স সাকসেস সেলিব্রেশন’ অনুষ্ঠিত

এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপন এবং...

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত...

আরও পড়ুন

হাটহাজারীতে ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারীতে সাদিয়া আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পৌরসভার ৬...

কক্সবাজারে পুলিশের এসআইয়ের বাড়ি থেকে ৩৬ লাখ টাকাসহ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩

কক্সবাজার কোর্ট পুলিশে কর্মরত এসআই শহীদুল্লাহ ওরফে শহীদের মালিকানাধীন বাড়ি থেকে ৯০ হাজার ইয়াবা ও নগদ ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৮৫০ টাকা উদ্ধার করেছে...

পার্কভিউ হাসপাতালে ‘এসএসসি-টুয়েন্টি টুয়েন্টি সিক্স সাকসেস সেলিব্রেশন’ অনুষ্ঠিত

এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপন এবং তাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় উৎসাহিত করতে পার্কভিউ হসপিটাল লিমিটেডের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এসএসসি-টুয়েন্টি টুয়েন্টি সিক্স সাকসেস...

সাতকানিয়ায় নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে সাঙ্গুতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে সাঙ্গু নদীর পানিতে ডুবে দুই-ভাই বোনের মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার আমিলাইষ ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম...