বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত মো. ফারুক ও আহত মেহেদী হাসানকে দেখতে পেলেন চট্টগ্রাম বিভাগের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন।
এ সময় উভয় পরিবারের সদস্যদের সান্তনা ও সমবেদনা জানান তিনি। বিভাগীয় কমিশনারকে পাশে পেয়ে ফার্নিচার মিস্ত্রী শহীদ ফারুকের স্ত্রী-সন্তান ও আহত গাড়ি চালক মেহেদীর পিতা-মাতা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
এদিকে কাঠ মিস্ত্রী শহীদ মোঃ ফারুকের স্ত্রী সীমা আক্তার বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বামী শহীদ হওয়ার পর থেকে সংসারে অভাব-অনটন লেগে আছে। অবুঝ ছেলে-মেয়ের পড়ালেখাও বন্ধ হওয়ার পথে।
সরকারীভাবে সহযোগিতা পাওয়া গেলে সংসারের খরচ মেটানোর পাশাপাশি সন্তানদের পড়ালেখা অব্যাহত রাখতে পারবে বলে জানান তিনি। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. অংসুই প্রু মারমা, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ নাজিমুল ইসলাম, জেলা সিভিল সার্জন ডা.জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পিএস টু বিভাগীয় কমিশনার ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার সুব্রত বিশ্বাস দাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২ ডিসেম্বর সোমবার সকালে চট্টগ্রাম বিভাগে বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে যোগদান করেছেন ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন।
