আনোয়ারায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এক্স-রে মেশিন চালু করা হয়েছে। এতে রোগীদের অনেক সুবিধা হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আজ বুধবার সকাল থেকে মেশিন সচল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (রেডিওলজি) মোহাম্মদ হৃদয়।
তিনি বলেন, রোগীদের সেবা দিতে পেরে ভালো লাগছে । রোগীরাও সেবা পেয়ে খুশি। সরকারি খরচে যাবতীয় সব এক্স-রে স্বল্প সময়ে রোগিরা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন এখান থেকে।
সূত্রে জানা যায়, আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিএমএসডি থেকে ২০১৩ সালে ৭ লাখ টাকা দামের কোরিয়ান কোম্পানির ৩০০-এমএ মডেলের এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেশিনটি অকেজো হয়ে যায়। এতে ৫ বছর ধরে সেবাবঞ্চিত রোগীরা। ২০২০ সালে সিএমএসডি থেকে ৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকা দামের ২০০-এমএ মডেলের আরেকটি এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। এটিও চালু করতে না পারায় বাক্সবন্দি পড়ে ছিল। মেশিনটি ২০২২ সালে ইনস্টল করা হলেও মেশিন কেব্ল সমস্যার কারণে চালু করা যায়নি। জানুয়ারিতে নতুন একজন এক্স-রে টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ দেয়া হলে বুধবার থেকে চালু করা হয়। এখন থেকে রোগীরা সরকারি মূল্যে এখান থেকে এক্স-রে করতে পারবেন।
চাতরী থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা নুরুল আলম (৪৫) জানান, হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন চালু হওয়ায় অনেক উপকার হয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের জন্য অনেক সুবিধা হয়েছে। এতোদিন কারো এক্সরে করাতে হলে বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে বেশী টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে হতো। নিজে সরকারি মূল্যে স্বল্প খরচে হাসপাতাল থেকে পরিক্ষা করাতে পেরে খুশি লাগছে ।
আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেন, দীর্ঘ দিন মেশিনটি বন্ধ ছিলো বর্তমানে যে মেশিনটি চালু করা হয়েছে সেটি এনালগ এক্স-রে মেশিন। তবে ডিজিটাল সি, আর মেশিনের জন্য চাহিদা পত্র পাঠানো হয়েছে। সি. আর মেশিন পেলে এখানে ডিজিটাল মেশিনে এক্স-রে করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
