আনোয়ারা উপজেলায় জায়গা জমির বিরোধ নিয়ে মোহাম্মদ জামাল (৪৫) এর বাড়িতে হামলা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েছে ৮ যুবক। পরে এদের বেঁধে রেখে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (৩০ মে) রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ভরাচর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় বাঁশখালি গণ্ডামারা এলাকার মাহমুদুল হাসান (৩০) এর কাছ থেকে একটি দেশীয় বন্ধুক (এলজি) উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন পেকুয়ায় দেবরের হাতে ভাবি খুন
আটককৃতরা হলেন- পটিয়া উপজেলার মো. মহিউদ্দিন (১৯), মো. সাগর (২৫), বাঁশখালী উপজেলার মাহমুদুল হাসান (৩০), মাহমুদুল ইসলাম সাগর (২২), নজরুল ইসলাম (১৯), আবদুল মালেক (২৭), মিজানুর রহমান (২২) ও চন্দনাইশ উপজেলার অভিজিত দাশ রানা (২৩)।
আরও পড়ুন কর্ণফুলীতে প্রতিবেশীকে হত্যার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
এঘটনায় ভুক্তভোগী মোহাম্মদ জামাল (৪৫) বাদী হয়ে আটককৃত ৮জনসহ উপজেলার জুঁইদণ্ডি এলাকার সৈয়দ আহম্মদের ছেলে মোঃ মুক্তার (৪৫) কে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করে। এবং অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আনোয়ারা থানার এসআই (নিঃ) জ্যোতিষ চন্দ্র দেবের এজহারের ভিত্তিতে অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন উখিয়ায় প্রতিবেশীর সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ, দায়ের কোপে নারী খুন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জুঁইদণ্ডী ইউপি জামালের পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় মোখতার আহমদ পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে একাধিকবার পাল্টাপাল্টি হামলা-মামলাও হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিচের ফুফাতো ভাই জালালের ওপর হামলা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ধাওয়া করে জনতা। পরে বরুমচড়া ইউনিয়নের ভরাচর এলাকায় তাদের ৮ জনকে আটক করে গাছে বেঁধে রাখা হয়।
আরও পড়ুন পাহাড়তলীতে ছুরিকাঘাতে ২ যুবক খুনের ঘটনায় শ্রমিক লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৮
এবিষয়ে জামাল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোক্তারের পরিবারের সাথে আমাদের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসতেছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করা হলেও তারা এতে রাজি না হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে আমার পরিবারের উপর হামলা করে।
এঘটনায় আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মির্জা মোহাম্মদ হাছান বলেন, ডাকাত সন্দেহে আটকদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলাসহ থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।
