গণমাধ্যমের জবাবদিহিতা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে একাধিক বৈঠকে এই সংস্কার উদ্যোগ বাস্তবায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মামুন অর রশিদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষায় নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়ন, সংবাদপত্রের প্রচার সংখ্যা নিরীক্ষার জন্য টাস্কফোর্স গঠন এবং পত্রিকার বিজ্ঞাপন হার যৌক্তিক পর্যায়ে বৃদ্ধি।
এছাড়া গণমাধ্যম ব্যবস্থার স্বচ্ছতা যাচাইয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো থেকে বার্ষিক জরিপ চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞাপনশিল্পে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সঙ্গেও পরামর্শ করা হবে।
এফএম রেডিও খাতে জামানত ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানো, বিজ্ঞাপন আয়ের ২ শতাংশ সরকারি ফি বাতিল ও সরকারি ঘোষণা বিনা মূল্যে সম্প্রচারসহ একাধিক আর্থিক সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
টেলিভিশন চ্যানেলের আপ-লিংক ও ডাউন-লিংকে বিএসসিএল ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা শিথিলেরও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কলাম লেখক, প্রদায়ক ও অতিথি আলোচকের সম্মানির ওপর অগ্রিম কর প্রত্যাহারের বিষয়েও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে পরামর্শ চলবে।
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পাঠ্যক্রম যুগোপযোগী করা এবং তথ্য কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে বিসিএস ইনফরমেশন একাডেমি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
আর এইচ/
