আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির জন্য চট্টগ্রাম ৮ আসন ছেড়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সমঝোতায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠকে আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিনের মৃত্যুতে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিট নিয়ে সংসদে পৌঁছে ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ।
এবারও এ আসনে মনোনয়ন দিয়ে নৌকার বহরে যুক্ত করা হয়েছিল তাকে। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে যাচাই-বাছাইয়েও টিকে যান। তবে সমঝোতার বলি হয়ে তাকে সরতে হচ্ছে নির্বাচনে।
এই আসনে আওয়ামী লীগের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় পার্টির হয়ে লড়বেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সোলায়মান আলম শেঠ।
এর আগেও দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি ওই আসন থেকে জাপার প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে, খুব সহজেই ‘ভোটযুদ্ধে’ জয়ের স্বাদ জুটবে না এই প্রার্থীর কপালে।
কারণ, এই আসনে এবার স্বতন্ত্র হিসেবে ‘ভোটযুদ্ধে’ নেমেছেন নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম। তিনিও এই আসনের একজন হেভিওয়েট প্রার্থী।
উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সাত জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ছিল ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তি সময় ছিল ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর এবং নির্বাচনী প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির ৫ তারিখ পর্যন্ত চলবে বলে জানায় ইসি।
