বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে শেষ সিরিজটি ভালো গেল না বাংলাদেশের। ব্যাটিং ব্যর্থতায় নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ১৫ বছর পর সিরিজ হারল তারা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার তৃতীয় ওয়ানডেতে নিউ জিল্যান্ডের জয় ৭ উইকেটে। ১৭২ রানের লক্ষ্য ৯১ বল বাকি থাকতে টপকে গেছে সফরকারীরা।
এই হারের ফলে ২০০৭ সালের পর প্রথমবার মিরপুরের মাঠে কোনো জয় ছাড়াই বছর শেষ করল বাংলাদেশ। এই বছর এখানে ৫ ম্যাচের চারটি হেরেছে তারা। পরিত্যক্ত হয়েছে অন্যটি।
নিউজিল্যান্ডের সহজ জয়ে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলেছেন ফিন অ্যালেন, হেনরি নিকলস। বিশ্বকাপ দলে সুযোগ না পাওয়া অ্যালেন করেন ৮০ বলে ৭০ রান। ৮৬ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন নিকলস।
নতুন বলে দারুণ বোলিং করে ২ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম।
ম্যাচের প্রথমভাগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নাজমুল হোসেন শান্ত ছাড়া বাংলাদেশের আর কেউ ২৫ রানও করতে পারেননি।
এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে দেড়শ পার করান প্রথম দুই ম্যাচে না থাকা শান্ত। অধিনায়কত্বের অভিষেকে তিনি খেলেন ৭৬ রানের ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে অধিনায়কত্বের প্রথম ম্যাচে এটিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।
১৯৯৮ সালে ভারতের বিপক্ষে অধিনায়কত্বের অভিষেকে ৭০ রান করেছিলেন আমিনুল ইসলাম। এছাড়া অধিনায়কত্বের প্রথম ম্যাচে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলেন হাবিবুল বাশার (৬১), সাকিব আল হাসান (৫৪)।
ভালো শুরুর আভাস দিয়েও অল্পেই ফেরেন তাওহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহরা। ওয়ানডে অভিষেকে ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে ১ রানে আউট হন জাকির হাসান।
নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন অ্যাডাম মিল্ন। কোল ম্যাকনকি, লকি ফার্গুসন ধরেন ২টি করে শিকার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ৩৪.৩ ওভারে ১৭১ (তানজিদ ৫, জাকির ১, শান্ত ৭৬, হৃদয় ১৮, মুশফিক ১৮, মাহমুদউল্লাহ ২১, মেহেদি ১৩, নাসুম ৭, হাসান ১, শরিফুল ১, খালেদ ০*; বোল্ট ৬-০-৩৩-২, মিল্ন ৬.৩-০-৩৪-৪, সোধি ৬-০-৪০-০, রবীন্দ্র ৫-১-২০-১, ম্যাকনকি ৫-০-১৮-২)
নিউ জিল্যান্ড: ৩৪.৫ ওভারে ১৭৫/৩ (অ্যালেন ২৮, ইয়াং ৭০, ফক্সক্রফট ০, নিকলস ৫০*, ব্লান্ডেল ২৩*; শরিফুল ৬-১-৩২-২, হাসান ৬-১-২৯-০, নাসুম ১০-০-৫০-১, মেহেদি ৫-০-২৫-০, খালেদ ৪-০-১২-০, মাহমুদউল্লাহ ৩.৫-০-২৫-০)
ফল: নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী
সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজ নিউজিল্যান্ড ২-০ ব্যবধানে জয়ী
