পটিয়া পৌর সদরের শশাংকমালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭ জন শিক্ষকের বদলি আদেশ স্থগিত করেছে হাইকোর্ট।
গত বুধবার বিচারপতি সরদার মুহাম্মদ রাশেদ জাহাঙ্গীর এবং মুহাম্মদ বজলুর রহমানের যৌথ বেঞ্চ এই স্থগিতাদেশ দেন।
এর আগে গত ১৩ জুন ওই বিদ্যালয়ের ১৭ জন শিক্ষকের মধ্যে প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষককে একযোগে বদলি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ৭ জন বদলীকৃত ৭ জন শিক্ষক বদলি আদেশ বাতিলের জন্য উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেন। তারা হলেন, মৌসুমী দেব, সুমন দাশ, আকতার জাহান চৌধুরী, আকলিমা বেগম, মোহাম্মদ নাছের উদ্দিন ও শর্মিলা দাশ।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রনজীত কুমার ধর জানান, পটিয়ার শশাংকমালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমিক ও গনশিক্ষা শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও পটিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সাতজনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার সরদার মুহাম্মদ রাশেদ জাহাঙ্গীর এবং মুহাম্মদ বজলুর রহমানের গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। পাশাপাশি উক্ত বেঞ্চ বদলীকৃত ৭ জন শিক্ষকের বদলি আদেশ আগামী ৩ মাসের জন্য স্থগিত ্করেছেন।’
প্রসঙ্গত, গত এক বছর পটিয়া পৌরসদরের শশাংকমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ ও সহকারী শিক্ষিকা উম্মে হাবিবা চৌধুরী ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এমপি মনোনীত সহ-সভাপতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরই প্রেক্ষিতে গত ১৩ জুন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাসরিন সুলতানা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই ১৭ শিক্ষকের বদলির আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ১৭ শিক্ষককে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বদলি করে সেখান থেকে একজন করে শিক্ষককে স্থানান্তর করা হয়।
