কর্ণফুলীতে মো. হোসেন (২৪) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করা ঘটনার ১৬ দিন পর এজাহারভূক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন থানা পুলিশ।
বুধবার (০১ মার্চ) সকালে রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও এলাকাতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী থানার ওসি মো. দুলাল মাহমুদ।
আটককৃত আসামিরা হলেন-কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের খোয়াজনগর গ্রামের আলিম উদ্দিন বাড়ির রবি আলীর পুত্র মোঃ আমিন (২৭), ও মো. আনিসুল ইসলাম আনিস (২৬)। সম্পর্কে এরা দুই সহোদর।
হোসেনের পরিবার ও খোয়াজনগরবাসী জানিয়েছেন, আসামী গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁরা খুশি। কর্ণফুলী থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বলেন, গ্রেপ্তার করায় থানা পুলিশে সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে। যদিও এখনো এজাহারভুক্ত ৪ আসামি অধরা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মোবারক হোসেন বলেন, ‘মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ধরতে পুলিশ সব সময় তৎপর ছিলেন। কিন্তু আত্মগোপনে থাকায় এতদিন গ্রেপ্তার করতে পারিনি। ঢাকা থেকে দুই সহোদরকে গ্রেপ্তার করেছি। এখন চট্টগ্রামের পথে গাড়িতে বলেও তিনি জানান।
সিএমপি বন্দর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শাকিলা সুলতানা বলেন, ‘পুলিশ আন্তরিকতার সাথেই কাজ করছেন। বিভিন্ন জায়গায় এখনো অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। বাকি আসামিরাও শিগগরই আইনের আওতায় আসবেন।’
এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে চরপাথরঘাটা খোয়াজনগর গ্রামের দীঘির পাড় এলাকার তিন রাস্তার মোড়ে হামলাকারীরা মো. হোসেনকে হত্যার উদ্দেশে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করে এবং তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করেন। আহত মো. হোসেন কর্ণফুলীর চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন খোয়াজনগর গ্রামের জাহাঙ্গীর মেম্বারের বাড়ীর মৃত মো. ইয়াছিনের ছেলে।
পরে এ ঘটনায় ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আহতের বোন রিনা আকতার বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার জিআর মামলা নং-৪৩/২৩।
