সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল ১৯৬৬ সালের এই দিনে। তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও বৈষম্য নীতির বিরুদ্ধে স্বাধিকার প্রতিষ্ঠায় ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন বঙ্গবন্ধু। পরে তিনি ছয় দফার পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে বাংলার গ্রামগঞ্জে গিয়ে জনসভা, গণসংযোগ করেন।

ধীরে ধীরে ছয় দফা এ দেশের আপামর জনগণের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এতে ভীত হয়ে পড়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। এতে দেশবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন আওয়ামী লীগের ডাকে পূর্ব বাংলায় হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এ হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর বিভিন্ন এলাকায় নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অন্তত ১১ জন শহীদ হন। রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হওয়ায় মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ছয় দফা হয়ে ওঠে বাঙালির মুক্তির সনদ। এ ছয় দফার পথ ধরেই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যায়।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, ঐতিহাসিক ছয় দফা কেবল বাঙালি জাতির মুক্তিসনদই নয়, সারা বিশ্বের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তি-আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের ছয় দফা অন্যতম মাইলফলক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ জুন এক অবিস্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ৭ জুন নতুন মাত্রা পায়। সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার অক্ষুণ্ন রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার বদ্ধপরিকর।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল চট্টগ্রামনিউজ.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, মতামত, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি । আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন news@chattogramnews.com ঠিকানায়।

সর্বশেষ

হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে...

বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহাসিক আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাবুনগর মাদ্রাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক...

লবণ চাষিদের কষ্ট লাঘবে শিগগিরই নতুন মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

লবণ চাষিদের কষ্ট লাঘবে শিগগিরই লবণের নতুন মূল্য নির্ধারণ...

বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাঁশখালীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে টিনের নতুন...

বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে...

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও...

আরও পড়ুন

হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল...

বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহাসিক আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাবুনগর মাদ্রাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষ আলেমদের মতবিনিময় সভা শুরু হয়েছে।হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা...

লবণ চাষিদের কষ্ট লাঘবে শিগগিরই নতুন মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

লবণ চাষিদের কষ্ট লাঘবে শিগগিরই লবণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের...

বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাঁশখালীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে টিনের নতুন ঘরের চাবি তুলে দিয়েছেন। তিনি আজ দুপুর ১টা ২০ মিনিটে বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালীর বন্যা...