রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের বড়াদম এলাকায় রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সড়কে একটি নির্মানাধীন সেতুর ঢালাইয়ের সময় ধসে গিয়ে ১ জন নিহত ও অপর ২০ আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪-৫ জনের অবস্থা আশংকাজনক।
আজ।বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ ত্রিরতন চাকমা। নিহত শ্রমিকের নাম মো. রফিক, বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা থানার হরিদাকান্দা গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিকরা জানান, সকালের দিকে রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সড়কের বড়াদমে একটি ব্রীজে একদল শ্রমিক ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন।
হঠাৎ ব্রীজটি ধসে পড়ে ২০-২৫ জন শ্রমিক আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন শ্রমিক মারা যান। বাকীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শ্রমিক মো. মোহরমসহ আরো অনেকে অভিযোগ করে বলেন, ব্রীজে ঢালায়ের পর ওজনে সেনডরিং দুর্বল হওয়ার কারণে ভেঙে পড়ে গেছে। ৫০০ টাকার জায়গায় ১ হাজার টাকা লাভ করার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তারা বলেন, মনে করেন লেবারের জীনের কোন মূল্য নেই উনাদের। ঠিকাদার আর প্রকৌশলীর গাফিলতির ফলে এ অবস্থা হয়েছে। এতবড় ব্রীজে তারা যদি ভালোভাবে দেখে ঢালায় দেয়, তাহলে কখনোই এ দুর্ঘটনা হতো না।
রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের কর্বত্যরত চিকিৎসক ডাঃ ত্রিরতন চাকমা বলেন, নির্মানাধীন ব্রীজ ধসে পড়ে আহত ১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত ৪-৫ জন। এছাড়া ১ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে শ্রমিকদের খোঁজখবর নিতে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শনে যান রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য ঝর্ণা খীসা, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. জাহিদুল ইসলাম ও রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম।
রাঙ্গামাটি কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবীর হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সেতু ভেঙ্গে গিয়ে ১জন নিহত ও আপর ২০ জন আহত হয়েছেন।
