হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত করতে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, চীন ও তুরস্কের বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে কোনো বিশৃঙ্খলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে আমরা চার দেশের বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা আগুনের কারণ এবং এর জন্য কেউ দায়ী কিনা—সেটিও তদন্ত করবেন।”
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস অত্যন্ত দ্রুত সাড়া দিয়েছে। তারা সমন্বিতভাবে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।”
তিনি জানান, রাসায়নিক পদার্থ ও পোশাকজাত উপকরণ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
“অভিযান ব্যর্থ হয়নি। যদি আগুন নেভানো না যেত, তাহলে তা গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ত,” যোগ করেন তিনি।
গত ১৮ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে কার্গো ভিলেজের আমদানি কমপ্লেক্সের ৮ নম্বর গেটের কাছে আগুনের সূত্রপাত হয়। দ্রুত তা রাসায়নিক, ইলেকট্রনিক পণ্য, ওষুধ ও পোশাকে ভরা গুদামগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।টানা ২৬ ঘণ্টা পর, ১৯ অক্টোবর বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিভে যায়।আগুন নেভাতে ১৩টি ফায়ার স্টেশন থেকে ৩৭টি ইউনিট, সঙ্গে বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব চারটি ফায়ার ইউনিট আছে। তারা ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। অন্য ইউনিটগুলোও ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে এসে যোগ দেয়।”“বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় সব অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রয়েছে। দায়িত্বে থাকা ইউনিটগুলো নিয়ম অনুযায়ী কাজ করেছে।”
আর এইচ/
