চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট ঢালায় সড়কের দুই পাশ থেকে রশি দিয়ে মোটরসাইকেল আটকিয়ে সশস্ত্র ডাকাতদের হামলায় মাহামুদুল হক(৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এছাড়া আরো ৩জন গুরুতর আহত হয়েছে।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ৩০ মিনিটের সময় এ ঘটনা ঘটে।
জুলফিকার বিন হোছাইন নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমি কক্সবাজার থেকে বাসে চকরিয়া আসছিলাম। যখন ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আসছি তখন বাসের সহকারী বাসের দরজা বন্ধ করে রাখলেন। আমি বাসের সহকারীকে বললাম আমি এখানে নামবো। তখন বাসের সহকারী আমাকে ডাকাতি হওয়া স্থানে নামতে দিচ্ছে না। আমি তখন বাসের সহকারীকে বললাম একটু সামনে আমার বাড়ি, সমস্যা হবে না বলে বাস থেকে আমি নামলাম। তখন দেখি রাস্তার মধ্যে ৪ জন লোক পড়ে আছে,তার মধ্যে একজনের অবস্থা স্বাভাবিক হলেও সে অনেকটা জ্ঞানহীনভাবে পড়ে আছে। তখন দেখলাম কয়েক জন বন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসলো। এর একটু পর পুলিশ ও ডিবি আসলো। আমরা সবাই মিলে ওদের ৪জনকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মাহামুদুল হক নামে এক যুবকের মৃত্যু নিশ্চিত করে।
এছাড়া আরো ২ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে আহতদের মধ্যে একজন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জুলফিকার বিন হোছাইন আরো বলেন, নিহত মাহামুদুল হকের স্ত্রীকে তার মৃত্যুর বিষয়ে মুঠোফোনে অবহিত করেছি, তবে তিনি কোনমতে বিশ্বাস করছে না।
নিহত মাহামুদুল হকের বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী এলাকায় বলে জানা গেছে।
একদিকে, চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সশস্ত্র ডাকাতদের হামলায় একজন নিহত ও তিনজন আহত হওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে আসেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) অভিজিৎ রায় ও চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ডাকাতির খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ডাকাতদের সনাক্ত করে গ্রেফতারের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আর এইচ/
