অর্ন্তবর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, আমরা যতদিন ক্ষমতায় থাকবো আমাদের সম্পদ বাড়বে না, কমবে। আগে আমাদের রোজগার ছিল বেশি। এখন গভমেন্টে যাওয়ার পর আমাদের রোজগার সীমিত হয়ে গেছে। আমরা প্রতিটি উপদেষ্টা কোন অবৈধ অনৈতিক সুবিধা নেবো না। আমরা দেশের একটা ক্লান্তিলগ্নে দায়িত্ব নিয়েছি। এবং সাহসিকতার সাথে সেই দায়িত্ব আমরা আনজাম দেবো।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২ টায় রাঙ্গুনিয়া মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ধর্ম উপদেষ্টা।
প্রধান অতিথি ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন আরও বলেন, আজকে আমার এই মসজিদ উদ্বোধনে কথা থাকলেও মসজিদের নির্মাণকাজ পুরো সম্পূর্ণ না হওয়ায় উদ্বোধন করা যাচ্ছে না। তবে তারাবিসহ পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ শুরু হবে। ফাইনালি কাজ সম্পাদন শেষে উদ্বোধন করা হবে। এবং আপনারা জানেন প্রতিটি সদর ও উপজেলা মিলে ৫৬৪ টি মসজিদ আমরা নির্মাণ করছি সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে। তয় মসজিদ যত বৃদ্ধি হবে, মুসল্লীও ততই বৃদ্ধি পাবে। এবং আমরা যদি মানুষকে নামাজি বানাতে পারি, তাহলে সমাজে অপরাধ প্রবনতা কমে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমার দেশে সব মসজিদ নয়, কিছু কিছু মডেল মসজিদ সাইকোলসহ নির্মাণে অনেক দূর্নীতি হয়েছে। অতএব, ইঞ্জিনিয়ার সাহেব আছেন তিনি এটা ভাল ভাবে তদারকি করবেন। এই মডেল মসজিদে গাড়ির পার্কিং, নামাজের ব্যবস্থা, এসি, সোলার প্যানেল, মৃত মানুষের গোলের ব্যবস্থা, মেহমানখানা, কনফারেন্স রুমসহ পনেরটি সুবিধা আছে। আজকে আমরা বিভক্ত হয়ে গেছি। আমি যেই দল করি, আমার দলের বাইরে আর কেন দল নাই, আমি যেই পীর মানি, আমার পীরের বাইরে আর কোন পীর নাই। তাই আমরা এই মসজিদের মিনার থেকে ভ্রাতৃত্বের পয়গাম দিতে চাই। এই মসজিদ রাঙ্গুনিয়ার জন্য আল্লাহ তাআলার রহমত নিয়ে আসুন।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজান হোসাইনের পরিচালনা ও সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, যুগ্ম সচিব ও উপদেষ্টার একান্ত সচিব সাদেক আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহা পরিচালক সরকার সরোয়ার আলম।
এতে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী জহির রায়হান। মোনাজাত পাঠ করেন মাওলানা মু. শওকত হোসাইন।
পরে ধর্ম উপদেষ্টা রাঙ্গুনিয়া মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন।
