বিলাইছড়ি উপজেলার জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এক একজন যেন উন্নয়ন কর্মী বলে মন্তব্য করছেন নব যোগদানকৃত রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান।
রবিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিলাইছড়ি উপজেলা সফরকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, আর্থসামাজিক উন্নয়নে পূর্বশর্ত হলো যোগাযোগ ব্যবস্থা, দূর্গম,পশ্চাৎপদ হলেও এই উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য,সংস্কৃতি সব কিছু রুচি সম্মত ও বৈচিত্র্যময়।
এলাকার জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা উপজেলার শিক্ষা, কলেজ স্থাপন ও চালু, শিল্প কলা একাডেমি, সদর থেকে ফারুয়া এবং সেখান থেকে বড়থলি ইউনিয়নে সড়কপথ উন্নয়ন, মোবাইল নেটওয়ার্ক, ফারুয়া ও বড়থলি ইউনিয়নে ২ টি করে মৌজা ঘোষণা করা, ঘরবাড়ি ও ভূমি হীনদের ভূমি ব্যবস্থা করা, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদে সম্ভাবনাময় অঞ্চল সহ বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরেন ও তাদের কথা জানেন এবং পর্যায়ক্রমে তা ঐক্যবদ্ধভাবে বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্রুতি দেন।
এসময় তাঁর সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোঃ সাইফুল রহমান।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা এবং উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান উৎপলা চাকমা, বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান, থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলমগীর,বীর মুক্তি যোদ্ধা শাক্যপ্রিয় বড়ুয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সাইদুল ইসলাম, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা হেডম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি শান্তি বিজয় চাকমা, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক বখতেয়ার হোসেন, চেয়ারম্যান রামাচরণ মার্মা(রাসেল),চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা,দেবতিষ্য ভিক্ষু,প্রহর কান্তি চাকমা এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান।উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রথাগত নেতারাও।
এর আগে সকাল ১০টায় উপজেলায় প্রথম বিলাইছড়ি উপজেলা পরিদর্শনে প্রধান অতিথিকে উপজেলা ঘাটে পুষ্প মাল্য দিয়ে স্বাগত জানান উপজেলাবাসী। এবং পরে পর্যায়ক্রমে তারুণ্য উদ্যান ( উপজেলা গণগ্রন্থাগার, জিমনেসিয়াম ও ক্রীড়াঙ্গণ),নীলাদ্রি রিসোর্টে কফি হাউজ, চারা রোপন এবং শিল্প কলা একাডেমির চার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স চালুর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
