মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গতবছরের তুলনায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় কমেছে পাশের হার ও জিপিএ-৫ । এ বছর কৈনপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ১০২ জন শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (২৮ জুলাই ) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ঘোষিত ফলাফলে উপজেলার ২৬টি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ হাজার ৪১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩ হাজার ৬৩০ জন। অপরদিকে ১১টি মাদরাসার মধ্যে ৬৪১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৬১১ জন।
আরও পড়ুন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে
তারমধ্যে কৈনপুরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১৭৩ জন , পাশ করে মাত্র ৭১ জন । পাশের হার ৪১.৫২শতাংশ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারে আনোয়ারায় এসএসসিতে পাশ করেছে ৩হাজার ৬৩০ জন। যা পাশের হার ৭৭.১৫% । জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৮ জন পরীক্ষার্থী। যা গতবারের চেয়ে ২১২ জন কম। গতবার জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ছিল ৩৪২ জন।২৬টি বিদ্যালয়ের জিপিএ-৫ পেয়ে এবারও ফলাফলে উপজেলার প্রথম হয়েছে সিইউএফএল স্কুল এন্ড কলেজ। পাশের দিক দিয়ে সবচেয়ে তলানিতে কৈনপুরা উচ্চ বিদ্যালয়।
আরও পড়ুন:৪৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ
অপরদিকে দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার ১১টি মাদরাসার মধ্যে ৬৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছে ৬১১জন। যা পাশের হার ৮১:৯০%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪জন।মাদ্রাসার মধ্য পশ্চিমচল ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসাটি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুন ছেলে পরীক্ষার্থী কমে যাচ্ছে কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর
ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে কৈনপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধাংশ দেবনাথ বলেন, এতো ফেল দেখে আমি ও হতাশ। তবে অন্যান্য এসএসসি ব্যাচ গুলোর মধ্যে এই ব্যাচ এর শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় দুর্বল ছিলো। নির্বাচনী পরীক্ষায় ভালো ভাবে যাচাই বাছাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের সভাপতি রঘুপতি সেন এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও ফোন রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ফলাফল বিপর্যয় হওয়া বিদ্যালয় গুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌস হোসেন জানান, যে বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল খারাপ হয়েছে সেই বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে ডাকা হবে । পরবর্তীতে বিদ্যালয়গুলোতে অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে পরামর্শ দেওয়া হবে।
