ঈদুল আযহার আর মাত্র ২ দিন বাকি।কোরবানির ঈদকে গিরে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় জমে উঠেছে পশুর হাটগুলো।
গত কয়েক দিন হাটগুলেতো তেমন একটা মানুষের আনাগোনা না থাকলেও ঈদ ঘনিয়ে আসায় ক্রেতারা ভিড় করছেন পশুর হাটগুলোতে।
প্রতিদিন উপজেলার ১৬ টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটে প্রচুর গরু উঠতে দেখা গেছে। প্রায় প্রতিটি হাটে বিপুল পরিমাণ দেশি গরুর আধিপত্য দেখা গেছে। হাটে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি।
বিক্রেতারা জানান, দেশে কয়েকবছর দরে কোরবানির জন্য পাশ্ববর্তী দেশ ভারত, মায়ানমার,ভূটানসহ বাহিরের দেশ থেকে গরু-মহিষ আসছে না। ফলে এখন কোরবানির বাজার সম্পূর্ণ দেশীয় পশু নিভর।
এবার দেশীয় খামারিরা লাভবান হবেন আশা করছেন। বিক্রেতারা আরও জানান, খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় পশুর দাম কিছুটা বেশি।
অপরদিকে ক্রেতারা বলছেন, এবার কোরবানি পশুর দান অনেক বেশি। পশুর উচ্চ মূল্যের জন্য অনেক ক্রেতাই হতাশা প্রকাশ করেন।
আজ (৮ জুলাই) শুক্রবার উপজেলার নোয়াপাড়া চৌধুরীহাট কোরবানি পশুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পছন্দের পশুটি কেনার জন্য অনেকেই এসেছেন হাটে।
কেউ একা এসেছেন, কেউ দলবেঁধে। যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই ঐতিহ্যবাহী এ হাটটিতে। শুধু চৌধুরীহাট বাজার নয় উপজেলার প্রতিটি হাটেই কোরবানি পশুর কেনার জন্য ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্যণীয়। দাম যাই হোক শেষ পযন্ত পছন্দের পশুটি কিনেই বাড়ি ফিরছেন ক্রেতারা।
চৌধুরীহাট পশুর বাজারে গরু কিনতে আসা মো.আবুল কাশেম জানান, গত বছরের চেয়ে গরুর দাম এবছর বেড়েছে,গতবার মাঝারি গরু কিনতে ৬০-৭০ হাজার টাকা লাগলেও এ বছর তা বেড়ে ৮০-৯০ হাজার টাকা লাগছে।
উপজেলার পশুরহাট গুলোতে স্থানীয় পাইকার ও ব্যাপারীরা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাপারীরা গরু, মহিষ, ছাগল এনে বিক্রি করেন। হাট গুলোর নিরাপত্তার জন্য রাউজান থানা কতৃপক্ষ বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল হারুন জানান, হাট গুলোর নিরাপত্তার জন্য পুলিশ কাজ করছে। জাল নোট ঠেকানোর জন্য পুলিশের নজরদারি রয়েছে। বসানো হয়েছে জাল নোট সনাক্তকারী মেশিন। ব্যাপরীদের পশু আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রেও পুলিশের বাড়তি নজরদারি রয়েছে।
