পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবী শেষে বাংলা নববর্ষের মাসে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে বিগত বছরের যা কিছু কলহ ছিল সে গুলোকে পরিহার করে সামাজিক পারিবারিক এবং সকল প্রাণীর হিত সুখ মঙ্গল কামনা করে ধর্মীয়গুরুদের নিয়ে সার্বজনীন এবং পারিবারিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার জুরাছড়ি উপজেলার লুলাংছড়ি এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের গন্ডীছড়া, নন্দীছড়া ও বাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে সার্বজনীন সংঘ দান, বুদ্ধ মূর্তি দান, অষ্টপরিস্কার বিভিন্ন দানানুষ্ঠান সম্পাদন করা হয়।
এসব দানানুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় গুরু হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি রাজবনবিহার থেকে আগত শ্রীমৎ জ্ঞান প্রিয় মহাস্থবির।
উপস্থিত এলাকাবাসী পূণ্যার্থীদের উদ্দেশ্য জ্ঞান প্রিয় মহাস্থবির বলেন, বৌদ্ধ ধর্মের রীতিনীতি মোতাবেক গৃহী জীবনে পঞ্চশীল গুলো রক্ষা করতে পারলে পরিবারের জন্য শান্তি সম্মৃদ্ধি এবং উন্নতি বৃদ্ধি পাই।
কোন প্রকার কারো প্রতি হিংসা, বিদ্বেষ থাকলে কখনো পরিবারে শান্তি আনায়ন হয়না। এজন্য সকল জীবের প্রতি মৈত্রীময় পোষণ করে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব এবং কর্তব্য পালন করা বাঞ্ছনীয়।
অনুষ্ঠান শুরু আগ-মুহুর্তে পরম পুজনীয় মঞ্চে উপবিষ্ট ভিক্ষু সংঘকে ফুল দিয়ে বরণ করেন হেডম্যান কার্বারী এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এতে পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন কুসুমছড়ি মৌজার কার্বারী জ্ঞান রঞ্জন চাকমা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে পূন্যার্থীদের উদ্দেশ্য করে স্বধর্ম দেশনা প্রদান করেন ভারতের অরুনাচল প্রদেশ থকে আগত অতিথি ভিক্ষু বিজয়া ধর্মা ভান্তে। রাঙামাটি মরিচ্যাবিল বনবিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ জিনপ্রিয় মহাস্থবির।
