চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সাম্প্রতিক সংঘর্ষ-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় একটি মডেল থানা স্থাপনের প্রস্তাব সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপাচার্য, দুই উপ-উপাচার্য, সকল অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়।
চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে—সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের সকল চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় একটি মডেল থানা স্থাপনের বিষয়ে সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় রেলক্রসিং এলাকায় একটি পুলিশ বক্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া আজকের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার জন্য আগামীকাল (২ সেপ্টেম্বর) সিন্ডিকেটের জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে। একই সঙ্গে জোবরা এলাকার বাড়িওয়ালাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উপ-উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রত্যাহার করা হবে না। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপত্তা হটলাইন চালু করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
