দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়ে গঠিত হয়েছে মন্ত্রিসভাও। এবার তোড়জোড় শুরু হয়েছে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি নিয়ে। এমপি হওয়ার দৌঁড়ে রয়েছেন চট্টগ্রামের প্রায় ডজনখানেক নারী নেত্রী।
তার মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ’)র সদস্য এডভোকেট জিনাত সোহানা চোধুরী। সাধরণ মানুষের পাশাপাশি, দলের হাইকমান্ডদের কাছেও তিনি আলোচনায় রয়েছেন।
তিনি বেসরকারি কারা পরিদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন অতি সুনামের সাথে।সমাজসেবা থেকে শুরু শিক্ষা, বাণিজ্য সবখানেই রেখেছেন অবধান। মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীতের প্রচলন, শিক্ষার্থীদের জঙ্গিবাদে না জড়ানোর শপথের ধারাবাহিকতা, করোনাকালীন সময়ে চট্টগ্রামের হালিশহরে করোনা আইসোলেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি।
তিনি তাহের নাহার ফাউন্ডেশন নামের একটি বেসরকারি সংস্থার হয়ে ৩৫০টিরও অধিক সেমি পাকা গৃহনির্মাণ করে দিয়েছেন সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় মানুষদের। বিভিন্ন মাদরাসায় অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন জিনাত সোহানা। তার ধারাবাহিক কর্মসূচির কারণে সাধারণ মানুষের কাছে ‘অদম্য ও সাহসী সোহানা’ নামে পরিচিতিও পান তিনি।
এইসব কাজের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত থেকে সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন তিনি।
এডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী চট্টগ্রাম চেম্বার অফ কমার্স ও উইমেন্স চেম্বার এন্ড কমার্সের সদস্যের পাশাপাশি ফারমিন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে পোশাক পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
জিনাত সোহানা চৌধুরীর স্বামী মোহাম্মদ ইমরান । ইমরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি। এর আগে দীর্ঘ সময় তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারীদের নিয়ে নৌকার পক্ষে তার ব্যতিক্রমী প্রচারণায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিজুয়্যালি বিএনপি-জামায়াতের ১০০ দিনের হরতালের বর্বরতার চিত্র এবং বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র এবং দিন বদলের উন্নয়নের চিত্র, প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরে নজর কেড়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের।
অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে আমি কাজ করেছি। সুযোগ পেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করব।’
উল্লেখ, সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৩টি আসন।
