রাত পোহালেই বহুল প্রতিক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করতে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।দীর্ঘ দুই যুগের ও বেশি সময় পরে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রধানমন্ত্রীর এ আগমনকে ঘিরে চারপাশ সেজেছে নবরূপে। আনোয়ারা উপজেলায় কেইপিজেড মাঠে শনিবার হবে সুধী সমাবেশ। সমাবেশে ১০ লাখ লোক সমাগমের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন ও প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এনেছে কর্তৃপক্ষ। নৌকার আদলে যেমন মঞ্চ প্রস্তুত করা হচ্ছে তেমনি ঐতিহাসিক জনসভায় রুপান্তরের আশাবাদ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা ।
আরও পড়ুন : আসছে প্রধানমন্ত্রী , রং বেরঙের ব্যানারে সেজেছে আনোয়ারা
আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ১০ লাখ জনসমাগমের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সাধারণ মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনী বার্তা দিতে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। জনসাধারণকে বোঝানো হচ্ছে, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে শেখ হাসিনার সরকার। তৃতীয় মেয়াদের ক্ষমতার শেষে একেবারে নদীর তলদেশে নির্মিত টানেল উপহার দিয়েছেন তিনি।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, ৮ ফুট উচ্চতার মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪৮ ফুট প্রস্থের মঞ্চটি নৌকার আদলে তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ৫০০ জনের বসার ধারণক্ষমতা থাকলেও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পদধারী নেতা ও জনপ্রতিনিধি মিলে ৩০০ জনের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঢাকার কলরেডি থেকে আসা ২০০ মাইক জনসভাস্থলের আশপাশে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে লাগানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগ এক লাখ লোক সমাগমের ঘোষণা দিয়েছে। উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না দিলেও প্রতি উপজেলা থেকে অন্তত ১০ হাজার করে নেতাকর্মীকে জনসভায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। এর বাইরে মূল জমায়েত করবে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ।
