খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় সরকারের বিভিন্ন দপ্তর হতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওয়ায় সুবিধাপ্রাপ্ত উপকারভোগীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলা মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওয়ায় সুবিধাপ্রাপ্ত উপকারভোগীদের সমাবেশ যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী পূর্ণবাসন বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, সারাদেশের ন্যায় খাগড়াছড়িতেও বর্তমান সরকারের উপহার হিসেবে শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও তথ্য প্রযুক্তিসহ সকল খাতে সরকার ধারাবাহিক প্রনোদনা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।
“প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত-সমৃদ্ধ খাগড়াছড়ি বিনির্মানে, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ নিবেদিত হয়ে কাজ করছে”।
সরকারের প্রতি গণমানুষের আস্থা টেকসই হওয়ায় আজকের সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিনত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সামগ্রীক উন্নয়ন, স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট চান, প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু’র সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য কল্যান মিত্র বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ও পরিষদ সদস্য এড. আশুতোষ চাকমা, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শানে আলম, ১নং খাগড়াছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞান দত্ত ত্রিপুরা, ২নং কমলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান সুনীল চাকমা, ৩নং গোলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান উল্লাশ ত্রিপুরা, ৪নং পেরাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তপন বিকাশ ত্রিপুরা এবং প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গৃহ ও সৌর বিদ্যুৎ পেয়ে উপকারভোগী হিসেবে তনয় চাকমা ও প্রতিবন্ধী মো. মানিক মিয়া বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তলনের পর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল’র ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া চাওয়া হয়।
এ কর্মসূচিতে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম, দপ্তর সম্পাদক চন্দন কুমার দে, উপ-দপ্তর সম্পাদক নুরুল আজম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য শতরূপা চাকমা, পরিষদর সদস্য মো. মাঈন উদ্দিন, হিরন জয় ত্রিপুরা, ক্যজরী মারমা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সঞ্জিপ ত্রিপুরা, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় দাস, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরিষদ সদস্য শাহিনা আক্তার, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংলা মং চৌধুরীসহ জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় সুবিধাভোগীরা এতে অংশ নেয়।
