বাংলাদেশে যাতে গণতন্ত্র অব্যাহত থাকে, সেই প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে হবে। কোনোভাবেই অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতা দখল করতে পারবে না।
সোমবার লন্ডনের তাজ হোটেলে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় দলের সদস্যদের (এপিপিজি) সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন।
পরে এ সাক্ষাতের বিষয়ে ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলে জানিয়েছে বাসস।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ লক্ষ্যে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সার্চ কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে।
ইসিকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য স্বাধীনভাবে কাজ করার সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ছবিসহ ভোটার তালিকা ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের ব্যবস্থা করা হয়।
ইউক্রেইন যুদ্ধ সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কখনই যুদ্ধ চায় না, বরং চায় যে আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান হোক।
আমরা কখনই যুদ্ধ চাই না। কারণ দরিদ্র জনগণ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের যুদ্ধের জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বাংলাদেশ ও রোহিঙ্গা বিষয়ক এপিপিজির চেয়ার এবং বিনিয়োগ ও ক্ষুদ্র ব্যবসা বিষয়ক ছায়ামন্ত্রী রুশনারা আলী এমপি প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন।
প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- এপিপিজি’র ভাইস চেয়ারম্যান বীরেন্দ্র শর্মা এমপি, ভাইস চেয়ার ভ্যালেরি ওয়াজ এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান ইমরান হুসেন এমপি ও স্কটিশ পার্লামেন্টে বাংলাদেশের ক্রস-পার্টি গ্রুপের চেয়ার ফয়সল চৌধুরী।
ব্রিফ্রিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচন তদারকির জন্য এপিপিজি প্রতিনিধিদলকে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানোরও প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম ও প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
