নামি কোম্পানির লেবেল নকল করে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই বোতলজাত করে ভোজ্যতেল বিক্রির ঘটনায় চট্টগ্রামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তারা হলেন মো. আলমগীর, সাইফুল ইসলাম হৃদয় ও মো. শাকিল।
কর্ণফুলী উপজেলার কালারপোল এলাকার একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে দুই হাজার ৬৬১ লিটার তেল জব্দও করা হয়। এর বেশিরভাগই সয়াবিন তেল, বাকিগুলো পামঅয়েল।
র্যাব বলছে, এসব তেলের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। কোনো ধরনের মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই নোংরা পরিবেশে সেগুলো বোতলজাত করে ‘এস জালাল সয়াবিন তেল’ ও ‘আয়ান ফার্টিফাইড সুপার পাম ওয়েল’ নামে বাজারে ছাড়া হত।
বিএসটিআই’র অনুমোদন না থাকার পরও এক, দুই ও পাঁচ লিটারের বোতলে সেই বোতলে বিএসটিআইয়ের লোগোসহ স্টিকারও বসানো হত।
তেলের বোতলে যে লেবেল বসানো হয়েছে, সেটি বাংলাদেশ এডিবল অয়েলের রূপচাঁদা সয়াবিন তেলের অনুকরনে বসানো হয়েছে।
বোতলটি দেখে ক্রেতারা রূপচাঁদার তেল বলে বিভ্রান্ত হতে পারেন। আইন অনুযায়ী এভাবে অন্য কোম্পানির লেবেলের অনুকরণ করাও অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এসব তেল উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে বোতলজাত করে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করা হত।
র্যাব-৭ এর পতেঙ্গা ক্যাম্পের কমান্ডার মাহফুজুর রহমান জানান, গুদামটিতে তেল সংরক্ষণের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি উপস্থিত কর্মীরা।
