দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বছরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য বাজেটে ২ হাজার ৪০৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে পরিচালন খাতে ২ হাজার ১২৪ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এ খাত থেকে জাতীয় সংসদ, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন ধরনের নির্বাচন পরিচালনা করা হবে। আর প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়ন খাতে ব্যয় হবে ২৮২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল যে বাজেট প্রস্তাব করেছেন, সেখানে এ পরিমাণ বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় আগামী অর্থবছরে ইসির জন্য বাড়তি ৯৮৩ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ইসির বরাদ্দ ১ হাজার ৪২৩ কোটি ১৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
বাজেট প্রস্তাবনায় আগামী অর্থবছরে নির্বাচন কমিশনের জন্য বেশকিছু কার্যক্রম ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ, ৪৫৪টি উপজেলা পরিষদ, ছয়টি সিটি করপোরেশন, ৯টি পৌরসভাসহ বিভিন্ন ধরনের নির্বাচন। চলতি অর্থবছরে খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ব্যয়ও আগামী বাজেটে ধরা হয়েছে।
এবার প্রথমবারের মতো শূন্য থেকে ১৮ বছরের কম বয়সি বাংলাদেশি নাগরিকদের নিবন্ধন ও তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার জন্য বাজেটে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন এবং তাদের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে এ বাজেটে।
অন্যসব কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ে জাতীয় ভোটার দিবস উদ্যাপন, ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণের কার্যক্রম গ্রহণ; পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত, মুদ্রণ ও বিতরণ; গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ডিআরএস (ডিজাস্টার রিকভারি সিস্টেম) স্থাপন প্রভৃতি।
