রাউজানে টাকা গ্রহিতা কাজী দিদারুল আলম (৫৫) এর লাশ মিলল একই এলাকার পাওনাদার মুহাম্মদ ইউনুসের ঘরে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের মোকামীপাড়া থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত দিদারুল আলম একই এলাকার কাজী শামসুল আলমের বড় ছেলে।
নিহতের ভাই কাজী মিনহাজ জানান, আমার ভাইয়ের কাছে টাকা পেত মুহাম্মদ ইউনুস। সে সুবাদে তাকে ঘাতক ইউনুস ও ইদ্রিস ঘরে ধরে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। তবে তার ভাইয়ের কাছ থেকে কত টাকা পাবে সেটি নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি তিনি।
মুহাম্মদ ইউনুসের স্ত্রী সামসুর নাহার জানান, আমি দুপুরে ভাত দেওয়ার জন্য তাকে ডাকছিলাম। তবে বেশ কিছুক্ষণ কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে আমি দরজা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতে পায় তিনি ফ্যানের সাথে ঝুলে আছেন। এরপর আমার স্বামী ইউনুস তাকে নিচে নামিয়ে আনান। তবে এরপর ইউনুসকে আর দেখতে পায়নি।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)আব্দুল্লাহ আল হারুন জানান, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
