চার উপজেলায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে চট্টগ্রামে এসেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর ১২ সদস্যের একটি দল।
রবিবার রাতে দলটি চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া। তিনি বলেন, ‘আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআরবি’র সমন্বয়ে গঠিত একটি আউটব্রেক ইনভেস্টিগেশন দল চট্টগ্রামে এসেছেন। তারা ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ খুঁজতে আজ সোমবার থেকে মাঠে কাজ শুরু করবেন।’
আইইডিসিআরের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জাহিদুর রহমানকে টিম সুপারভাইজার ও ডা. ইমামুল মুনতাসিরকে টিম লিডার করে গঠিত ইনভেস্টিগেশন দলের অন্য সদস্যরা হলেন- আইইডিসিআরের ডা. আবীর শাকরান মাহমুদ, ডা, মো. সাইক বিন আলম, ডা. তানভীর আহমেদ, মিঠুন বাহাদুর, আইসিডিডিআরবির মেডিকেল অফিসার ডা. ইশতিয়াকুল ইসলাম খান, আইইডিসিআরের সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সেনিটারি ইন্সপেক্টর মো. হাবিবুর রহমান, আইসিডিডিআরবির মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নাহিদা খানম, রাজিবুল আমিন সুমন ও আইইডিসিআর’র ল্যাবরেটরি এটেনডেন্ট আব্দুল কুদ্দুস।
এর আগে ৫ মে পটিয়া, বোয়ালখালী, আনোয়ারা ও চন্দনাইশ উপজেলায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটকে (আইইডিসিআর) চিঠি দেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী। চিঠিতে আলোচ্য চার উপজেলায় ডায়রিয়া আউট ব্রেক ইনভেস্টিগেশন বা কারণ অনুসন্ধানসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়।
পরবর্তীতে গত ৬ মে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ১২ সদস্যের একটি দল গঠন করে চট্টগ্রামে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশ দেন। চিঠিতে তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশন দেয়া হয়।
