বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের ছাত্ররাজনীতিতে পূর্বের সুনাম ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেছেন, ছাত্ররাজনীতিকে দুর্নামের ধারা থেকে বের করে আনতে চাই। ঐতিহ্যবাহী রাজনীতির যে সুনামের ধারা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।
কোথায় যেন তলিয়ে গেছে! আজকে ছাত্রনেতাদের বলব, ছাত্ররাজনীতিকে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। আকর্ষণীয় করে তুলতে হলে লিডারশিপকে র্স্মাট ও আকর্ষণীয় হতে হবে।
রোববার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি পলিটিক্যাল সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনে’র (ডুপডা) বার্ষিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
ভর্তি বাণিজ্য, মনোনয়ন বাণিজ্য, সিট বাণিজ্যের প্রসঙ্গ তুলে ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, আমাদের নতুন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, নেত্রী অনেক আশা নিয়ে সাদ্দাম ও ইনানকে সেন্ট্রালে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শয়ন ও সৈকতকে পছন্দ করেছেন। ঢাকা সিটিতেও আমরা উত্তর-দক্ষিণে কমিটি করেছি। সিভি দেখে, সবার সবকিছু দেখে, অনেক আশা নিয়ে নেত্রী তোমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে।
তিনি বলেন, আমার শুধু একটাই চাওয়া, ছাত্ররাজনীতিকে সুনামের ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। ছাত্ররাজনীতিকে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। এটা যদি করতে পারো, তোমরা সফল। তা না হলে, সেই পুরোনো বিষয়গুলো আবারও আমাদের হতাশ করবে।
এ ছাড়াও বাংলাদেশকে নেতা তৈরির কারখানা বলে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেছেন, মঞ্চে গেলে দেখি, মঞ্চটা পুরো ভরে গেছে নেতায়। বাংলাদেশ নেতা উৎপাদনের একটা কারখানা। কেউই কর্মী হতে চায় না, সবাই নেতা।
এর আগে ওবায়দুল কাদের পলিটিক্যাল সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডুপডা) আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তিপ্রদান করেন।
