চট্টগ্রামের আলোচিত মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলায় তার পরিবারের কি বিচার পাওয়ার অধিকার নেই বলে প্রশ্ন করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৭ জুন) বাবুল আক্তার ও মিতু দম্পতির দুই সন্তানকে শিশু আইনে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে করা আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি সাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ প্রশ্ন করেন।
আদালত বলেন, একটি গোষ্ঠী ইচ্ছে করে মিতু হত্যা মামলার বিচারকাজ বিলম্বিত করছে। যিনি মারা গেছেন তার কি ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নেই?
২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।
স্ত্রী খুনের ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা নাটকীয়তার পর ২০১৬ সালের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
ঘটনার পরের বছর মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন প্রথম এই খুনে বাবুলের জড়িত থাকার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ্যে আনেন।
এরপর ২০২০ সালের শুরুতে বাবুলের করা মামলার তদন্তভার পড়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওপর। এরপর আস্তে আস্তে জট খুলতে থাকে চাঞ্চল্যকর এই মামলার।
২০২১ সালে পিবিআইর তদন্তে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের লক্ষ্যে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দাখিলের পর ১২ মে মিতুর বাবা বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।
