রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা রক্ষা ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির দাবিতে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা দ্রুত ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কাপ্তাই হ্রদের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার এর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলে ও ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে হ্রদে ড্রেজিং না হওয়ায় নাব্যতা কমে গেছে। ফলে সারা বছর পর্যাপ্ত পরিমাণ মাছ পাওয়া যায় না। মাছ ধরার নিষিদ্ধ মৌসুমে জেলেদের দেওয়া ২০ কেজি চালের বরাদ্দ বাড়িয়ে ৪০ কেজি করার দাবি জানান তারা।
পাশাপাশি মাছ ল্যান্ডিংয়ের সময় ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণে মাছের গুণগত মান নষ্ট হয়ে দাম কমে যাওয়ার অভিযোগও তোলেন ব্যবসায়ীরা।
সভায় উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার বলেন, “১৯৫০ সালের মৎস্য আইন সংশোধনের পরও সারা দেশে মেশ সাইজের জাল ব্যবহারের নিয়ম যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করে নিষিদ্ধ জালগুলো সত্যিকার অর্থে নিষিদ্ধ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। তবে প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের কথা বলেছেন— সেটি পরিকল্পনামাফিকভাবেই হবে।”
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ফারাহ শাম্মী, সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসা, বিএফডিসি রাঙামাটির ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মো. মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমিনসহ স্থানীয় মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
আর এইচ/
