মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, বীর প্রতীক বলেছেন, “চব্বিশের আন্দোলন এদেশের মানুষের সমাজের বৈষম্য ভেঙে দিয়েছে। এখন আমরা বৈষম্যহীনভাবে যার যার ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারি।”
বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সদর ইউনিয়নের জয়কালী বাজার কচিকাঁচা পূজামণ্ডপ এবং রামকৃষ্ণ-সারদা সেবাশ্রম পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “ধর্মমত নির্বিশেষে বহুকাল ধরে আমরা বাঙালিরা দুর্গোৎসব উদযাপন করে আসছি। সনাতনীদের জন্য এটি দুর্গাপূজা হলেও সমাজের জন্য এটি এক মহাউৎসব। এই দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে রাষ্ট্র, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এবং স্থানীয় জনগণ একাকার হয়ে কাজ করছে, যাতে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উৎসব সম্পন্ন হয়।”
এসময় উপদেষ্টা আরও বলেন, “অতীতে সমাজে বৈষম্য ছিল। তবে চব্বিশের আন্দোলন সেই বৈষম্যের দেয়াল ভেঙে দিয়েছে। ফলে এখন আমরা একে অপরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সম্মান জানিয়ে উদযাপন করতে পারছি।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল পালিত, আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উমা খান কাফি, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সাগর মিত্র ও সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ধরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
আর এইচ/
