দেশের পরিবর্তন চাইলে আগে আমাদের সবার মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “আমার-আপনার সবার মধ্যে যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে দেশ কীভাবে পরিবর্তন হবে? এই যে জুলাই বিপ্লব হলো, হাত গেলো, পা গেলো, এতো জীবন গেলো—যারা সিন্ডিকেট করে তারা কি এটা দেখছে না? তবুও তাদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন নাই।”
শনিবার (২৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন ও কর্তৃপক্ষের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালসহ অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তা।
চীনের অর্থায়নে হাসপাতাল কোথায় হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, “আমি এসেছি, আজ জায়গা দেখবো। এরপর যারা হাসপাতাল বানাবে তারা দেখবে। তারপর সিদ্ধান্ত হবে, কোথায় হবে।”
রংপুর মা ও শিশু হাসপাতাল চালু না হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শিশু হাসপাতাল না হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে যেকোনো কিছু করতে হলে সঠিক পরিকল্পনা থাকতে হয়। যেমন, যদি ঘোড়ার গাড়ি চালাতে চাই, তাহলে ঘোড়া দিলেই হবে না—রশি, চাকা, গাড়ি সব লাগবে। হাসপাতালও তেমন। এখানে যন্ত্রপাতির কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছে, কিছু করা হয়নি। জনবল নিয়েও পরিকল্পনা নেই। তাই একেবারে হঠাৎ করে এগুলো চালু করা সম্ভব নয়। তবে আমরা যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালটি চালু করার চেষ্টা করবো।”
তিনি আরও জানান, রংপুরে হৃদরোগ, কিডনি ও ক্যান্সার রোগীদের জন্য ৫৬০ শয্যার একটি হাসপাতালের বাজেট অনুমোদন হয়েছে। “আমরা শুরু করতে না পারলেও পরবর্তী সরকার এসে সেটা কার্যকর করবে,” বলেও মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।
আর এইচ/
