রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় উদ্ধার অভিযান শেষ করেছে ফায়ার সার্ভিস। সোমবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফায়ার সার্ভিস এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ অপসারণ পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল। রাত সোয়া ৯টার দিকে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শেষে ইউনিটটি ফায়ার স্টেশনে ফিরে যায়।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এ ঘটনায় ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেলে ২৩ জন, শিনশিন জাপান হাসপাতালে ১১ জন, ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ১৫ জন, লুবানা হাসপাতালে ২০ জন, ইস্টওয়েস্ট হাসপাতালে ১ জন, মুনসুর হাসপাতালে ৮ জন এবং জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৩৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের উত্তরা ফায়ার স্টেশনের দুই কর্মী মো. সোহাগ মিয়া ও আসিফ আহম্মেদ আহত হয়েছেন। সোহাগ মিয়াকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং আসিফ আহম্মেদকে উত্তরার বাংলাদেশ মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনই শঙ্কামুক্ত বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।
আইএসপিআরের দেওয়া তথ্যমতে, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে সোমবার বেলা ১টার পর বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যু এবং দেড় শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ বুলবুল জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণে প্রতিষ্ঠানটি আগামী তিন দিন বন্ধ থাকবে।
আর এইচ/
