এনবিআরের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি প্রত্যাহারের পর চট্টগ্রাম কাস্টমসে আবারো পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। ফলে বন্দরের কনটেইনার অপারেশনও পুরোপুরি সচল হয়েছে। আগের শুল্কায়ন হওয়া আমদানি পণ্যের খালাসের পাশাপাশি রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনারের জাহাজীকরণও চলমান রয়েছে।
গত রোববার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় শাটডাউন কর্মসূচি প্রত্যাহারের পরপরই কাস্টমস কর্মকর্তারা ফাইলের কাজ শুরু করেন। এতে বিল অব এন্ট্রি, বিল অব এক্সপোর্ট এবং শুল্কায়ন কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়। ফলে বেসরকারি অফডকগুলোতে সৃষ্টি হওয়া অচলাবস্থা কেটে যেতে শুরু করেছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসে স্বাভাবিক সময়ে আমদানি ও রপ্তানিপণ্য মিলে প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাত হাজার বিল অব এন্ট্রি ও বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল হয়। কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক এএসএম রেজাউল করিম স্বপন বলেন, ‘কর্মকর্তাদের শাটডাউন কর্মসূচির কারণে রোববার সকাল থেকে কোনো শুল্কায়নের কাজ হয়নি। সন্ধ্যায় সিরিয়াল অনুযায়ী ফাইলগুলোর কাজ শুরু হলেও আগের অনেক ফাইল এখনো বাকি আছে। তবে কর্মকর্তারা বাড়তি কাজ করলে খুব শিগগিরই সব স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’
বেসরকারি কনটেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডার মহাসচিব মোহাম্মদ রুহুল আমিন সিকদার জানান, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে কাস্টমস কর্মকর্তারা ডিপোগুলোতে কাজ শুরু করেছেন। বন্দরের তিনটি গেইটে কাস্টমস কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন, যার মাধ্যমে ডিপোগুলোতে কনটেইনার আনা-নেওয়া সচল হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘শাটডাউন কর্মসূচির মধ্যেও বন্দর কর্তৃপক্ষের সেবা বন্ধ ছিল না। তবে কাস্টমস কর্মকর্তারা উপস্থিত না থাকায় আনস্টাফিং, গেইট যাচাইসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। এখন কর্মকর্তারা কাজে ফিরেছেন, সোমবার সকাল থেকে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’
আর এইচ/
