চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি মাসে কোভিডে এ নিয়ে জেলায় সাতজনের মৃত্যু হলো।
শনিবার বিকালে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, মীরসরাই উপজেলার বাসিন্দা সালেহা বেগম (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে মারা যান। তিনি ডায়বেটিস এবং হৃদরোগেও ভুগছিলেন।
এর আগে ২৩ জুন দুজন, ২২ জুন দুজন, ২০ জুন একজন এবং ১৬ জুন একজনের মৃত্যুর তথ্য দেয় সিভিল সার্জন কার্যালয়।
নিহত ছয়জন হলেন- নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জের বাসিন্দা কাজী আবদুল আউয়াল (৮০), চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানার ফিরিঙ্গি বাজার এলাকার রাবেয়া খাতুন (৯৫), পটিয়া উপজেলার মো. এরশাদ (১৪), কর্ণফুলী উপজেলার ইয়াসমিন আক্তার (৪৫), বাকলিয়ায় ফজিলাতুন্নেছা (৭১) ও মীরসরাই উপজেলার জোররাগঞ্জের বাসিন্দা শফিউল ইসলামের (৭৫)।
এদিকে শনিবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন অনুসারে, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
সরকারি-বেসরকারি আটটি হাসপাতাল ও ডায়গনস্টিক সেন্টারে ৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয় গত ২৪ ঘণ্টায়।এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ১৩০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১৭ জনই নগরীর। বাকি ১৩ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
এর আগে গত ১০ জুন প্রথম চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়।কোভিড সংক্রমণ শুরুর পর জেলার জন্য চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালকে এই রোগের চিকিৎসার জন্য নির্ধারণ করা হয়।
শুরুতে সেখানে আইসিইউ বেড থাকলেও ভেন্টিলেটর না থাকায় সেই সেবা দেয়া যাচ্ছিল না। পরে জেনারেল হাসপাতালে তিনটি ভেন্টিলেটর সংযুক্ত করে ৫ শয্যার আইসিইউ সেবা চালু করা হয় কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য।
চলতি সপ্তাহে নগরীর মেমন-২ হাসপাতালে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার চালু করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
আর এইচ/
