মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় নগরীর আগ্রাবাদস্থ আঞ্চলিক তথ্য অফিস চট্টগ্রাম পিআইডি‘র সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় চট্টগ্রাম পিআইডি‘র উপপ্রধান তথ্য অফিসার মীর হোসেন আহসানুল কবীর এর সভাপতিত্বে এবং তথ্য অফিসার জি.এম সাইফুল ইসলাম’র সঞ্চালনায় চট্টগ্রাম আবাসন পরিদপ্তরের উপপরিচালক মুনতাসীর জাহান বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।
এছাড়াও চট্টগ্রাম জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক সাইদ হাসান, মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার পার্বতী রানী মিত্র, জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারী পরিচালক মাহেন্দ্র চাকমা, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপপরিচালক ওয়াহিদুর রহমান, সিনিয়র তথ্য অফিসার বাপ্পী চক্রবর্তী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর সুলতান মাহমুদ ভ‚ঁইয়া বক্তৃতা করেন। এসময় আঞ্চলিক তথ্য অফিস, জেলা তথ্য অফিস, বিষ্ফোরক পরিদপ্তর, মেট্রোপলিটন কৃষি অফিস, আবাসন পরিদপ্তর এবং জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় মুনতাসীর জাহান বলেন, শোষণ, নিপীড়ন ও বৈষম্য থেকেই ১৯৭১ ও ২০২৪ এর সৃষ্টি। আমাদের পূর্বপুরুষরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। আমরা যেন পরবর্তী প্রজন্মকে সুখী সমৃদ্ধ ও সুন্দর একটি বাংলাদেশ উপহার দিতে পারি সে লক্ষ্য আমাদের কাজ করে যেতে হবে।
বিশেষ অতিথি আরো বলেন, সদ্য জন্ম নেওয়া একটি শিশু বা বয়োবৃদ্ধ কেউ স্বাধীনতা হীনতায় বাঁচতে চায় না। পৃথিবীর যতগুলো দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে তাদের অতীত ইতিহাস দেখলে বুঝতে পারবেন সবাই শোষণ ও নিপীড়নের হাত থেকে রক্ষা পেতে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছে। শুধু মুখে মুখে দেশপ্রেমের কথা বললে হবে না কাজে কর্মেও দেশপ্রেমকে ফুটিয়ে তুলতে হবে। আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। দেশকে পরিষ্কার রাখা বা একটি গাছের চারা রোপন করাও দেশপ্রেমের অংশ। কাজের মধ্যে সৎসাহস আনতে হবে এবং দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব বজায় রাখতে হবে।
বক্তারা বলেন, বিজয় দিবস বাঙালি জাতির গৌরবের অংশ। বাংলাদেশের অভ‚্যদয়ের সাথে বিজয় দিবস ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। বিজয়ের মধ্যেদিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ বিশে^র বুকে মাথা উঁচু করে দাড়িয়েছে। এদেশের স্বাধীনতা অর্জনে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই তাদের রক্ত দিয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে নিজের ভিতর দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে হবে। জুলাই ২৪ বিপ্লবের স্বপ্ন বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিতকল্পে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশের উন্নয়নে একযোগে কাজ করে যেতে হবে।
