দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ফিশিং বোটে দুর্ধষ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩০ জলদস্যুকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন–র্যাব। তার মধ্যে ২১ জলদস্যু আনোয়ারা উপজেলার।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দুই দিন দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের স্থল ও সাগর পথে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের ১টি আভিযানিক দল দীর্ঘ ৪৮ ঘন্টার অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন আনোয়ারা উপজেলার বারশত ইউনিয়নের গোবাদিয়া এলাকার নোয়া মিয়ার ছেলে আব্দুর রহিম (২৫), মৃত ইয়ার মোহাম্মদ এর ছেলে মোঃ মফিজুর রহমান (৩০),বোয়ালিয়া এলাকার মোঃ আলমগীর এর ছেলে মোঃ ইসমাইল (২৬), নুরুল হকের ছেলে মোঃ কাছেদ (১৯), মোঃ আকিদ খান (৩৭), বটতলী ইউনিয়নের হাসান শরীফ এর ছেলে নুর মোহাম্মদ (১৭), বারখাইনের আফজাল আহমদ এর ছেলে আব্দুর রহিম সিকদার (৩৪),
রায়পুর ইউনিয়নের গহিরা এলাকার আব্দুর ছত্তারের ছেলে করিম (৩৩), মৃত মেখের আলীর ছেলে মোঃ জফুর (৩৫), জেবল হোসেন এর ছেলে শফি আলম (৪০), চুন্নাপাড়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদ এর ছেলে মোঃ শওকত (৩৭),দোভাষী বাজার এলাকার মৃত মোঃ শফি ছেলে ফজল হক (৪০), দক্ষিণ পরুয়া পাড়া এলাকার আব্দুস সবুরের ছেলে মোঃ হারুন (৪৪), মোঃ ইয়াছিন(২৯), খোর্দ্দ গহিরা এলাকার আবুল কালমএর ছেলে মোঃ খলিলুর রহমান (২৫), সালেহ আহমদ এর ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন (২৪), মোঃ রফিক এর ছেলে মোঃ শাহেদ (২২), মৃত ইয়ার মুহাম্মদ এর ছেলে মোঃ হোসেন (২৭), আব্দুস সালাম এর মোঃ আলী হোসেন (২৪), মৃত আব্দুল খালেক এর ছেলে আব্দুল মান্নান (৪০) ও মোঃ সোলায়মান (৩৮)।
অন্যানরা হলো , মোঃ রুবেল (৩৩),শাজাহান বেগম (৩৭),মোঃ ইউসুফ (২৯),মোঃ শামীম (২১),মোঃ দিদারুল ইসলাম (৩৩), মোঃ গিয়াস উদ্দিন (২৬), দেলোয়ার ইসলাম (৪২),মোঃ সাহাব উদ্দিন (৩৫),মোঃ নাইম (১৯)।
র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন , ৪৮ ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর থেকে ২টি ট্রলার থেকে ৮টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ৫টি কার্তুজসহ৩০জন জলদস্যু আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত আগ্নেআস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সরঞ্জামাদি সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়া রয়েছে।
