কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র’ করে আরসা ও আরএসও’র মধ্যে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন; এসময় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উখিয়া উপজেলার কুতুপালংয়ের মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পশ্চিমের পাহাড়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানান উখিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আলী।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম শামসুল আলম (২৩)। তিনি কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক জি-৯ এর মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে।
এছাড়া নিহত অন্যজন উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানা গেলেও তার নাম ও পরিচয়সহ আহতদের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে পারেননি ওসি।
সন্ধ্যায় শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রাথমিকভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটেছে বলে জানা গেলেও ঠিক কী কারণে, কেন এই হত্যাকাণ্ড তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের মধ্যে শামসুল আলমের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। অন্যজনের লাশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল তা উদ্ধার করতে ক্যাম্পে গেছে। ফেরার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
নিহত শামসুল আলমের ছোট বোন হাসিনা বেগমের দাবি, ভোরে আরসার লোকজন ক্যাম্প থেকে তার ভাইকে ডেকে তাদের সঙ্গে লড়াই করতে পাহাড়ে নিয়ে যায়। বিকালে এসে জানা যায়, ভাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এক কমিউনিটি নেতা জানিয়েছেন, আরএসও নেতা মৌলভী রহিমুল্লাহ উল্লাহ এবং আরসা নেতা নবী হোসেন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এ দুজনের মৃত্যু ও কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
