মিরসরাইয়ে চলন্ত বাসের ধাক্কায় দুটি মাইক্রো (প্রবক্স) দুমড়ে মুছড়ে গেছে। এসময় বাসের যাত্রী, পথচারি, স্কুল শিক্ষার্থী সহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই পৌরসদরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের মিরসরাই সদরের সেবা আধুনিক হাসপাতাল ও মাতৃকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন, শাকিল, রোজিনা আক্তার, নুরুল আবছার, সাইফুল ইসলাম হালিমা বেগম, নিলুপা আক্তার মাসুদা, পাখি আক্তার, দিপক, বাস চালক আবুল বশর, শিশু সাদনান, আফসানা ইতি, মাহিন মোনতাহিন।
আহত অন্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতের মধ্যে নিলুপা আক্তার মাসুদার অবস্থা আশংকাজনক। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে আহতদের দেখতে তাৎক্ষনিক হাসপাতালে ছুটে গেছেন মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদোশীরা জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মিরসরাই সদরের ফুটওভারব্রিজের দক্ষিণ পাশে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের পেছনে ধাক্কা দিয়ে আটকে যায় সিডিএম পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস। বাস দুটি চলতে থাকে।
কিছুদুর যাওয়ার পর মিরসরাই সরকারি মডেল স্কুলের সামনে আটকে যাওয়া শ্যামলী বাস থেকে ছুটতে বা দিকে মোড় নিলে সাথে সাথে সড়কের পাশে পার্কিং করা দুটি মাইক্রোকে চাপা দেয় সিডিএম বাস।
এসময় স্কুলের দেয়ালের সাথে আটকে বেশ কয়েকজন পথচারি এবং বাসে থাকা সব যাত্রী আহত হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন এসে উদ্ধার করে তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
মিরসরাই সেবা আধুনিক হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ রায়হান বলেন, দুর্ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। একজনের অবস্থা আশংকাজনক। তাকে চমেকে রেফার করা হয়।
জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ সোহেল সরকার বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় কবলিত গাড়িগুলো উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে।
