চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্বাধীনতাকামী বাঙালির উদ্দেশ্যে নির্দেশনামূলক বার্তা। এই ভাষণের মধ্যদিয়েই জাতি স্বাধীনতার জন্য উজ্জীবিত হয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠি নানান ছল চাতুরি করে বাঙালির স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্খাকে অবধমিত করতে পারে নি। পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠি বুঝে গিয়েছিল বাঙালিকে আর দাবিয়ে রাখতে পারবে না। ঐতিহাসিক কারণে এই ভাষণটি রাষ্ট্র নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি ভাষণের মধ্যে অন্যতম। আমরা এই ৭ই মার্চের দিনটিতে আত্ম উপলব্ধির প্রেরণা ফিরে পাই।
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, জাতির স্বাধীনতা অর্জিত হলেও এখনো অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হয়নি। এই অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে পারে এবং অবশ্যই কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জিত হবে। এ কারণে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেন, বিএনপি জামাত কখনোই ৭ই মার্চ পালন করে না। যারা ৭ই মার্চ পালন করে না তারা বাংলাদেশের অস্তিত্বকেও বিশ্বাস করে না। এরা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন দেশকে পাকিস্তানী ভাবধারায় পরিচালিত করেছিল। দুর্নীতিসহ নানাবিধ অপকর্মে দেশকে লুটেরাদের হাতে সমর্পিত করেছিল। আমরা এই অবস্থায় কিছুতেই ফিরে যেতে পারি না।
তিনি আরো বলেন, বিগত ১৪ বছরে বর্তমান সরকারের সফলতা ও অর্জনগুলো এত বিশাল যে, তা অভাবিত। এই সাফল্যগুলো মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারলেই আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়কে ঠেকানো যাবে না।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দীন চৌধুরী, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, ত্রাণ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ হোসেন, ধর্ম সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ মোঃ আমিনুল হক, হাজী রোটারিয়ান মোঃ ইলিয়াছ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মোজাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, মোঃ ইকবাল হাসান, জাফরুল হায়দার সবুজ।
সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব বদিউল আলম, আবদুচ সালাম, নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, এড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, জোবাইরা নার্গিস খান, আবু তাহের, আব্দুল আহাদ, ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, জহর লাল হাজারী, নির্বাহী সদস্য হাজী দোস্ত মোহাম্মদ, জাফর আলম চৌধুরী, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, মোঃ জাবেদ, ড. নেছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু, হাজী বেলাল আহমেদ। এছাড়া ১৫টি থানা ৪৪ সাংগঠনিক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়কের নেতৃত্বে সভাস্থলে মিছিল সহকারে যোগদান করেন। এছাড়া সকালে দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি মাল্যদান করা হয়।
এছাড়া আগামী ১১ই মার্চ বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আওতাধীন ১৫টি থানায় নাশকতা ও নৈরাজ্য বিরোধী শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হইবে।
