চট্টগ্রামের পটিয়ায় দিন দুপুরে গরু চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে ৪গরু চোর আটক হয়েছে।
গতকাল (১৯ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের পাইরোল গ্রামের নিমতল মাজার এলাকায় তাদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।
আটককৃতরা হলো- চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইছা কন্ট্রাক্টরের বাড়ির মোঃ জাফর আহমদের ছেলে মোঃ এমদাদুল হক সুমন (২৩), বাঁশখালী প্রেম বাজার এলাকার আবদুল কাদেরের ছেলে মোঃ দিদারুল ইসলাম, একই এলাকার মোস্তফা আলমের ছেলে মোঃ মিজান (২১), নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানার মোঃ নাছিরের ছেলে মোঃ রাকিব (২২)।
সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তাদের আদালতে নেয়া হলে সেখান থেকে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
গরুর মালিক মোঃ মহিউদ্দিন জানান, বিলের মাঝে গরু চড়াতে দিয়ে আমরা ভাত খেতে ঘরে এসেছিলাম। এর মাঝে চোরেরা গরুর দড়ি খুলে নিয়ে আসার সময় এলাকার লোকজন দেখে ফেলে। পরে তাদের ধরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে ওদের থানায় নিয়ে যায়।
এর আগে ১৬ ফেব্রয়ারি একই ইউনিয়নে উজিরপুর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডে মোঃ ছৈয়দের গোয়ালঘর থেকে রাতে দুই লক্ষ সত্তর হাজার টাকা মূল্যের দুইটি উন্নত জাতের গরু চুরি হয়।
মোঃ ছৈয়দ জানান, গরু চুরি হওয়ার পর থানায় অভিযোগ করেছি। শুনলাম পাশের এলাকায় চুরি করতে গিয়ে কয়েকজন গরু চোর আটক হয়েছে। আমার ধারণা তারাই আমার গরু চুরি করেছে। অভাব অনটনের সংসারে কষ্ট করে গরু পালন করছিলাম। চোরেরা আমার সর্বনাশ করে দিলো।
গরু চুরি যেন থামছেই না পটিয়াতে। উপজেলার প্রায় প্রতিটা ইউনিয়নে কোননা কোন সময় ঘটছে গরু চুরির ঘটনা। কোন সময় অস্ত্র দিয়ে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে গরু। এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সভা সহ বিভিন্ন মিটিংয়ে আলোচনা হলেও থামানো যাচ্ছে না গরু চুরি।
এর আগে ফটিকছড়িতে গরু চোরের একটা দল ধরা পড়লে তাদের পটিয়া থানায় নিয়ে আসা হয়। আর এবার পটিয়াতেই হাতেনাতে ধার পড়লো ৪গরু চোর।
পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, যে চারজন গরু চোর আটক হয়েছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করবো। আশা করছি তাদের রিমান্ডে আনলে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।
