চট্টগ্রামের রাউজানে অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় ৩ দোকানের ৪ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে উপজেলায় উরকিরচর ইউনিয়নের হারপাড়া গ্রামের মাইজ্জা মিয়ার ঘাটা এলাকায়।
জানা যায়, মাইজ্জা মিয়ার ঘাটার পশ্চিম পাশে বদিউল আলমের মালিকাধীন বদিউল আলম মার্কেটের খাজা টেইলার্সের একটি দোকান ও দুইটি গুদামে বিভিন্ন সামগ্রি স্টক রাখতেন।
প্রতিদিনের ন্যায় তারা রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে হঠাৎ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হলে ৩টি দোকান দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। নৈশ প্রহরী ও পাশের লোকজন আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন পানি দিয়ে নিভানোর চেষ্টা করে।
অপরদিকে এলাকাবাসী ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে একটি দোকান ও দুই গুদামের সব মালামাল পুড়ে ভস্মীভুত হয়ে যায়।
খাজা টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী কামাল জানান, তিনি দোকান ও গোডাউন মঙ্গলবার রাতে বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে লোকজনের চিৎকার শুনে দৌড়ে দোকানে গিয়ে দেখেন দোকান দাউ দাউ করে জ্বলছে।
তিনি আগামী রমজানের ঈদের মালামাল তুলেছেন। গোডাউনে ও দোকানে থাকা বড় থান কাপড়, বিভিন্ন কাস্টমারের অর্ডার নেওয়া কাপড়,টেইলার্সের বড় বড় সেলাই মেশিন সহ অন্য সব মালামাল পুড়ে গেছে।এখন কামাল পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পথে বসেছে।
তিনি আরও জানান,গত কিছুদিন আগে স্থানীয় এক এনজিও সংস্থা থেকে লোন নিয়ে মালামাল গুলো কিনেছিলেন। কামালের ধারণা আনুমানিক ৪ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কামাল স্থানীয় বিত্তশালীদের নিকট সহযোগীতা কামনা করেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ মনিরুল ইসলাম জানান দোকান ও গুদামের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান ও গোডাউন সরেজমিনে দেখতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল জব্বার সোহেল ছুটে আসেন এবং রাউজানের সংসদ সদস্য এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর দিক নির্দেশনায় সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন।
