সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বইমেলা শুধু একটা মেলা নয়, এটা একটা মিলনমেলা: প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র প্রতিবেদক :

জেলায় জেলায় বইমেলা করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আসলে বইমেলা শুধু একটা মেলা নয়, এটা একটা মিলনমেলা।

সে দিক বিবেচনায় মেলার সময়ের ব্যপ্তি বাড়ানোর কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। আমার দুঃখ হলো যে করোনার কারণে আমি ঘরবন্দি। ভাগ্যিস ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছিলাম, তাই অন্তত ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হচ্ছে।‘বাংলা একাডেমির বইমেলা প্রাণের মেলা। সেটা না হতে পারলে সবার মন খারাপ হয়।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলা একাডেমি চত্বরের এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এখন ডিজিটাল যুগ। সেটাতে প্রবেশ করতে হবে সত্যি; কিন্তু পাতা উল্টে বই পড়ায় বেশি আনন্দ। প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, কিন্তু মেলাটা আরও সুন্দর হোক সেটাই চাই। এবারে মেলার মূল যে প্রতিপাদ্য এটা ভিন্নমাত্রা দিয়ে গেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বইমেলা দেরিতে শুরু করতে হলো। প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলো। এ কারণে দেরি করে শুরু করতে হলো। আজকে ১৫ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করতে পারছি সেটাই বড় কথা। বাংলা ভাষা মায়ের ভাষা, কথা বলার অধিকার। এই ভাষার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল।

করাচি সাহিত্য সম্মেলনে ৪৭-এ ঘোষণা হয় পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু। তখনই প্রতিবাদ জানানো হয়। ৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ছাত্রলীগ গড়ে তোলেন তিনি। অন্যান্য সংগঠন নিয়ে সংগ্রাম কমিটি গঠন করে আন্দোলন শুরু করেন। সেই পথ বেয়ে ৫২-তে প্রাদেশিক পরিষদের সভা ছিল। বাজেট সেশনে প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্তটাও তার দেওয়া ছিল। রক্ত দিয়ে ভাষার মর্যাদা আদায় করতে হয় আমাদের।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ভাষার অধিকারে বারবার আঘাত এসেছে। আরবি অক্ষরে বাংলা ভাষা, রোমান হরফে বাংলা লেখার বিষয়টি এলো। বারবারই প্রতিবাদ করা হয়েছে। একটি জাতি সবসময় উন্নতি করতে পারে ভাষা সংস্কৃতির উন্নতি হলে। প্রতিটা আন্দোলন সংগ্রামে সংস্কৃতিসেবীদের ভূমিকা রয়েছে।’

শৈশবের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলজীবন থেকেই আমরা সবসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতাম আন্দোলন-সংগ্রাম করতে। তারপরে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর যখন বইমেলা শুরু হলো, আমার তো মনে হয় কোনো বইমেলা বাদ যায়নি। কারণ সারাদিন এই বইমেলায় ঘুরে বেড়ানো, এটা তো আমাদের একটা অভ্যাস ছিল।’ যখন প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেছি তখনই পায়ে শিকল পড়ল। নিরাপত্তার অজুহাতে বইমেলায় আর সেই আগের মত স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগটা থাকেনি। আবার বিরোধী দলে যখন ছিলাম তখন গিয়েছি। তখন আবার সুযোগ ছিল। আর এখন তো সেই ২০০৯ সাল থেকে এই বন্দি দশায় আছি। আর করোনাকালে আরও বেশি বন্দি হয়ে গেছি। ’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আজকে উপস্থিত থাকতে পারলাম না। সামনাসামনি সবার সঙ্গে দেখা হলো না। তবে আমি আশা করি এই অবস্থা থাকবে না। এই অবস্থার পরিববর্তন নিশ্চয়ই হবে। আবার সবাই একসঙ্গে বইমেলায় এক হতে পারবেন।’
সাহিত্য সম্মেলন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো আয়োজন দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে বাংলা একাডেমিকে উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “আমাদের প্রত্যেক জেলায় বা মহকুমায় অতীতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হত, সাহিত্য চর্চা হত, সাহিত্য সম্মেলন হত, সাহিত্য নিয়ে আলোচনা হত। এই চর্চাটা অনেকটা কমে গেছে। এটাকে আবার একটু চালু করা দরকার।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি। কিন্তু স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা হয়েছিল। ভাষা আন্দোলনে তার অবদানকেও মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই ও তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা যে রিপোর্ট দিতো, সেগুলোতে প্রকৃত তথ্য পাওয়া যায়।’

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘ভাষার জন্য রক্তদানের মধ্য দিয়ে একটি জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি, মাতৃভাষায় কথা বলার সুযোগটিও পেয়েছি। এটা ধরে রাখতে হবে। অনেক আঘাত ও বাধা এসেছে। সব অতিক্রম করে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির জনক বলতেন, জাতির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার অর্জনের জন্যই ছিল আমাদের সংগ্রাম।’

অনুবাদের গুরুত্ব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভাষার গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে কেবল নিজের ভাষাকে গুরুত্ব দিলেই হবে না। অনুবাদ সাহিত্য যেন আরও ভালো হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। আমাদের বাংলা সাহিত্য যেন অন্য ভাষাভাষীরা জানতে পারে, সেদিকে যেমন নজর দিতে হবে, তেমনি অন্য ভাষার সাহিত্যও আমাদের জানতে হবে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের শিল্পকলা একাডেমি প্রায় প্রত্যেকটা জেলায়, এখন উপজেলা পর্যন্ত করে যাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের এই বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকেও যদি আপনারা একটু উদ্যোগ নেন, তাহলে বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেক মেধাবী কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিসেবী আমরা পাব।”

আ’লীগের দেশ পরিচালনায় দেশের উন্নয়নের গতি বাড়ার পর এখন মানুষের মনের খোরাক দেওয়ার উপর জোর দেন শেখ হাসিনা।
মানুষের হৃদয়ের খোরাকটাও তো দরকার। খাদ্য নিরাপত্তা আমরা করে দিয়েছি, এখন হৃদয়ের খোরাকটা জোগাতে হবে। সেটা সংস্কৃতি চর্চার মধ্য থেকেই আসে। ”সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা থাকলে যুব সমাজের বিপথগামী হওয়ার শঙ্কাও কমবে বলে মনে করেন তিনি।

বিদেশি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে আপত্তি না থাকলেও নিজেদের শেকড় মজবুত করতে বাংলা চর্চার উপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশি ভাষাও শেখা দরকার। সেখানকার সংস্কৃতি চর্চাও জানা দরকার। কিন্তু নিজের যে অস্তিত্ব, সেটাকে আরও বড় করে আমাদের দেখতে হবে। আরও উন্নত করতে হবে। সেইদিকে বিশেষভাবে নজর দিয়ে আমাদের সংস্কৃতি চর্চাটা আরও বাড়াতে হবে

শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের ভাষা সাহিত্যের আরও ব্যাপক পরিচর্য‌া যাতে হয়, তার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতি অর্থাৎ বাংলা অনলাইনে বাংলা ব্যবহারের জন্য আমরা নানা ধরনের বাংলা অ্যাপ চালু করেছি। অভিন্ন বাংলা ফন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এভাবে অবশ্য ভিন্ন ভিন্ন ফন্ট আছে সেটা একটা অভিন্ন ফন্ট যাতে ব্যবহার হয়, একটা প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়ে গেছে। কাজেই ডিজিটাল প্রকাশনাও আমাদের সাথে সাথে করতে হবে।”

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব মো. আবুল মনসুর, বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন,বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) সভাপতি মো. আরিফ হোসেন বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী খালিদ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ জয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে বইমেলা-২০২২ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক নূরুল হুদা বলেন, ‘আমরা করোনা নামক বৈশ্বিক মহামারিতে আছি। এই মহামারিতে যে শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছি তাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি বইমেলা উদ্বোধন করা হচ্ছে। এরমধ্যে যে বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এটাই স্বস্তির। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা যেন নিজেদের নিরাপদ রাখি। ১৯৭১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বইমেলা উদ্বোধন করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদয় সম্মতিতে আজ আবারও ১৫ ফেব্রুয়ারি বইমেলা শুরু করতে যাচ্ছি। এবারের মেলা ভার্চুয়াল মেলায় রূপ নিচ্ছে। মেলার জন্য স্থায়ী অবকাঠামো আবশ্যক। এটি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯ বার বইমেলা উদ্বোধন করছেন। তিনি বাংলা একাডেমির একজন ফেলো। বাঙালির সৃষ্টিশীলতার জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে তার ভূমিকা স্মরণ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে কথাসাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন বলেন, ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতীক। বইমেলা লেখক-পাঠক-সংস্কৃতি কর্মীর মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক চৈতন্য জাগিয়ে তোলে। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের সব জাতির মাতৃভাষা সংরক্ষণ নিশ্চিত হয়েছে। এই মেলা আক্ষরিক অর্থে প্রাণের মেলা। একটু দেরিতে হলেও সবার উপস্থিতি নিশ্চিত হবে বলে আশা করছি। অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক মানবিক জাতি গঠনে যে ভূমিকা বাংলা একাডেমি রেখেছে, তার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।’

বাংলা একাডেমি প্রান্তে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে পুরস্কার তুলে দেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

চট্টগ্রাম নিউজ / এম এম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল চট্টগ্রামনিউজ.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, মতামত, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি । আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন news@chattogramnews.com ঠিকানায়।

সর্বশেষ

শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশে ব্যক্তি উদ্যোগের অবদান দীর্ঘদিনের। স্বাধীনতার...

সীতাকুণ্ডে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে খুন, মামলা দায়ের

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাড়ি থেকে মো. নাঈম (৩০) নামক এক...

বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বড়পাথর এলাকায় সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবে নিখোঁজ...

শারীরিক শিক্ষা কলেজে ভলিবল রেফারিজ কোর্স সম্পন্ন

বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সহযোগিতায় সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ চট্টগ্রামের...

মানিকছড়ির ফার্মার্স ভ্যালি যেন পাহাড়ের চুড়ায় অর্গানিক ফলের একখণ্ড স্বর্গরাজ্য

পাহাড়ি জনপদ মানিকছড়ি। সবুজের বুক চিড়ে এগিয়ে চলেছে আকাবাকা...

এসএসসি ৯৩ ব্যাচের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত

এসএসসি ৯৩ ব্যাচের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে গত...

আরও পড়ুন

আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সময়ের চাহিদানুযায়ী আধুনিক এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।আজ ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর দপ্তরে আয়োজিত ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী সভায়...

রংপুর বিভাগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

দলকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে রংপুর বিভাগের দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ...

তৈরি পোশাকের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে অপার সুযোগ বিদ্যমান: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৬ সালের মধ্যেই গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টর বাজার ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে যাচ্ছে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের জন্য অপার সুযোগ...

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে নির্বাচিত এই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি বেশ আগেই...